ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদর্শ শিক্ষক ও সরকারি কমকর্তা সমাজসেবক মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ২ নভেম্বর ২০২৬

 

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের লামপুর গ্রামের কৃতী সন্তান, বাঘাব ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ও রায়পুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল বাক্কি ভূঁইয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২নভেম্বর ২০২৬, সোমবার। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, সাবেক শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে তাঁকে স্মরণ করার আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। একজন আদর্শ শিক্ষক, নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা ও মানবিক সমাজসেবক হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের হৃদয়ে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়া ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পিতার মরহুম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া। কর্মজীবনে তিনি শিক্ষা ও মৎস্য খাতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা ধারণ করতেন। তাঁর সততা, দায়িত্ববোধ, আন্তরিকতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছিল। কর্মসূত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের কাছে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার একজন মানুষ।

তাঁর মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আজও অনুভূত হয়। সময়ের পরিক্রমায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর স্মৃতি মুছে যায়নি। বরং তাঁর জীবনাদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

লামপুর গ্রামে প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়ার ফাউন্ডেশন সৃতি ও আদর্শে প্রতিষ্ঠিত।

প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়ার স্মৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজসেবার আদর্শকে ধারণ করে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের লামপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘আব্দুল বাকী ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সিফাত ভূঁইয়া শাওন। তিনি ইংল্যান্ড থেকে ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে মানবসেবার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

ফাউন্ডেশনটির মূল লক্ষ্য হলো অসহায়, হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তোলা। মানুষের মৌলিক প্রয়োজন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সময়ে সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।

মানবসেবায় ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম

ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং প্রয়োজনের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলোর দুর্দিনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তাদের মনে আশার সঞ্চার করা এ ধরনের উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এ ছাড়া ফাউন্ডেশনটি এতিমখানায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে সহযোগিতা, তাদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং ধর্মীয় ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশে দাঁড়ানো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্বের অংশ। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষদেরও মানবসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো সম্ভব।

তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ফাউন্ডেশনটি বিভিন্ন সময়ে খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে এবং মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিত করে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদানে উৎসাহ প্রদান, পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বৃক্ষরোপণ এবং জনসচেতনতামূলক উদ্যোগের মতো কর্মসূচিও ফাউন্ডেশনটির সেবার পরিধি বাড়ানোর সম্ভাব্য ক্ষেত্র হতে পারে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

প্রবাস থেকে পরিচালনা, শিকড়ের প্রতি দায়বদ্ধতা

ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সিফাত ভূঁইয়া শাওন ইংল্যান্ডে অবস্থান করেও নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কথা ভাবা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচায়ক। জন্মভূমি ও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখে মানবসেবামূলক কাজ এগিয়ে নেওয়ার এই প্রচেষ্টা অন্যদেরও সমাজকল্যাণে অনুপ্রাণিত করতে পারে।

একটি ফাউন্ডেশনের সফলতা শুধু আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করা, প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ লক্ষ্য সামনে রেখে আব্দুল বাকী ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন মানবসেবার কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও বিস্তৃত করার সুযোগ রাখে।

মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়া

একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর পদ-পদবি কিংবা সম্পদে নয়; বরং মানুষের জন্য রেখে যাওয়া ভালো কাজ, মানবিকতা ও ভালোবাসায়। আব্দুল বাক্কি ভূঁইয়ার জীবন ও স্মৃতি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

যেভাবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠতে পারে বাংলাদেশ

আদর্শ শিক্ষক ও সরকারি কমকর্তা সমাজসেবক মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ২ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট সময় : ১২:৪৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

 

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের লামপুর গ্রামের কৃতী সন্তান, বাঘাব ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ও রায়পুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল বাক্কি ভূঁইয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২নভেম্বর ২০২৬, সোমবার। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, সাবেক শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে তাঁকে স্মরণ করার আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। একজন আদর্শ শিক্ষক, নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা ও মানবিক সমাজসেবক হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের হৃদয়ে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়া ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পিতার মরহুম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া। কর্মজীবনে তিনি শিক্ষা ও মৎস্য খাতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা ধারণ করতেন। তাঁর সততা, দায়িত্ববোধ, আন্তরিকতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছিল। কর্মসূত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের কাছে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার একজন মানুষ।

তাঁর মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আজও অনুভূত হয়। সময়ের পরিক্রমায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর স্মৃতি মুছে যায়নি। বরং তাঁর জীবনাদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

লামপুর গ্রামে প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়ার ফাউন্ডেশন সৃতি ও আদর্শে প্রতিষ্ঠিত।

প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়ার স্মৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজসেবার আদর্শকে ধারণ করে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের লামপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘আব্দুল বাকী ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সিফাত ভূঁইয়া শাওন। তিনি ইংল্যান্ড থেকে ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে মানবসেবার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

ফাউন্ডেশনটির মূল লক্ষ্য হলো অসহায়, হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তোলা। মানুষের মৌলিক প্রয়োজন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সময়ে সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।

মানবসেবায় ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম

ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং প্রয়োজনের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলোর দুর্দিনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তাদের মনে আশার সঞ্চার করা এ ধরনের উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এ ছাড়া ফাউন্ডেশনটি এতিমখানায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে সহযোগিতা, তাদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং ধর্মীয় ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশে দাঁড়ানো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্বের অংশ। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষদেরও মানবসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো সম্ভব।

তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ফাউন্ডেশনটি বিভিন্ন সময়ে খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে এবং মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিত করে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদানে উৎসাহ প্রদান, পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বৃক্ষরোপণ এবং জনসচেতনতামূলক উদ্যোগের মতো কর্মসূচিও ফাউন্ডেশনটির সেবার পরিধি বাড়ানোর সম্ভাব্য ক্ষেত্র হতে পারে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

প্রবাস থেকে পরিচালনা, শিকড়ের প্রতি দায়বদ্ধতা

ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সিফাত ভূঁইয়া শাওন ইংল্যান্ডে অবস্থান করেও নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কথা ভাবা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচায়ক। জন্মভূমি ও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখে মানবসেবামূলক কাজ এগিয়ে নেওয়ার এই প্রচেষ্টা অন্যদেরও সমাজকল্যাণে অনুপ্রাণিত করতে পারে।

একটি ফাউন্ডেশনের সফলতা শুধু আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করা, প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ লক্ষ্য সামনে রেখে আব্দুল বাকী ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন মানবসেবার কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও বিস্তৃত করার সুযোগ রাখে।

মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন আলহাজ্ব আব্দুল বাকি ভূঁইয়া

একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর পদ-পদবি কিংবা সম্পদে নয়; বরং মানুষের জন্য রেখে যাওয়া ভালো কাজ, মানবিকতা ও ভালোবাসায়। আব্দুল বাক্কি ভূঁইয়ার জীবন ও স্মৃতি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া।