এর প্রেক্ষিতে রাজধানী ঢাকায় ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ওয়ার্ড/জোন ও থানা এলাকাভিত্তিক প্রশিক্ষিত টিডিপি স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের প্রস্তুত রাখার এ পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর মহাপরিচালকের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এছাড়াও ঢাকা বিভাগের ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন সক্ষমতার প্রেক্ষিতে আনসার-ভিডিপির স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য ভূমিকার বহুমুখী নিয়ামক ও সার্বিক সমন্বিত মোতায়েন মুল্যায়ন সম্পর্কে মতবিনিময় করেন। আনসার-ভিডিপি ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী দুর্যোগকালীন সময়ে ফার্স্ট রেসপন্ডার হিসেবে দ্রুত সাড়া প্রদান, উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং অন্যান্য মানবিক পুনর্বাসন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
প্রস্তাবিত ১ লাখ টিডিপি স্বেচ্ছাসেবী সদস্যকে বাহিনীর মৌলিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশেষায়িত ও উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের রূপরেখা বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীদের একটি কার্যকর স্থানীয় দুর্যোগ সাড়াদান সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈঠকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও অগ্নি-নির্বাপণসহ যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুই বাহিনীর একযোগে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। মাঠপর্যায়ে পেশাদারিত্বের মান বাড়াতে প্রশিক্ষণে সহয়তা ও কৌশলগত তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়েও বিশদ আলোচনা করেন।
ভবিষ্যতে যেকোনো জাতীয় সঙ্কট ও মানবিক দুর্যোগে পারস্পরিক সমন্বিত সহযোগিতা আরো জোরদার করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর মহাপরিচালক। এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের জননিরাপত্তা রক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনলাইন ডেস্ক 

























