ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুগঞ্জে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, কিশোর আটক

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাহিদা ইসলাম (৭) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাহিদুল (১৭) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রাম থেকে মাহিদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাহিদা ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী মোজাম্মেল মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। পরিবারের দাবি, আটক জাহিদুল মাহিদার চাচা।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জুমার নামাজের পর পানি খাওয়ানোর কথা বলে মাহিদাকে নিজের ঘরে নিয়ে যান জাহিদুল। পরে তাকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

মাহিদার মা মনিরা বেগম জানান, মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে জাহিদুলের ঘরের সামনে মাহিদার জুতা দেখতে পান। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মাহিদাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনির হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে মাদকসহ আটক, যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

আশুগঞ্জে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, কিশোর আটক

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাহিদা ইসলাম (৭) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাহিদুল (১৭) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রাম থেকে মাহিদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাহিদা ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী মোজাম্মেল মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। পরিবারের দাবি, আটক জাহিদুল মাহিদার চাচা।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জুমার নামাজের পর পানি খাওয়ানোর কথা বলে মাহিদাকে নিজের ঘরে নিয়ে যান জাহিদুল। পরে তাকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

মাহিদার মা মনিরা বেগম জানান, মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে জাহিদুলের ঘরের সামনে মাহিদার জুতা দেখতে পান। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মাহিদাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনির হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।