গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকায় দীর্ঘ প্রায় তিন মাস ধরে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ৩ শতাধিক পরিবার। নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করেও প্রতিদিন রান্না করার মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের।
স্থানীয় সূত্র জানাযায়,কোনাবাড়ী আমবাগ পূর্ব পাড়া এলাকায় গত তিন মাস ধরে গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেকেই চুলোয় বিন্দুমাত্র গ্যাসের চাপ থাকেনা যা মাঝরাতেও স্বাভাবিক হচ্ছে না। এর ফলে দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার উপক্রম হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে তারা মাটির চুলা,সিলেন্ডার কিংবা ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে প্রতি মাসে সংসার খরচে বাড়তি অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন বিত্ত পরিবার গুলোর জন্য বাড়তি বোঝার কারখন হয়ে দাড়িয়েছে।
ক্ষুব্ধ স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে বারবার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও স্থায়ী কোন সমাধান পাওয়া যায়নি। বকেয়া না থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত গ্যাস সুবিধা না পাওয়ায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র খোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিম সিকদার জানান গত প্রায় তিন মাস যাবত আমবাগ পূর্বপাড়া এলাকায় গ্যাসের এই সংকট। আমবাগ ব্রিজের নিচে লিকেজ হওয়ার কারণে আমাদের এই তিন শতাধিক পরিবারের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি তিতাস কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত সমাধান হয়নি।
বাড়ির মালিক আকবর বলেন, এমন অবস্থা হয়েছে বাসায় ভাড়াটিয়া থাকতে চাচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বাড়িঘর করে গ্যাসের কারণে এখন ভাড়াটিয়া চলে চাচ্ছে। মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল ব্যাংকের কিস্তি পরিশোধ করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি-র চন্দ্রা জোনাল অফিসের অপারেশন ম্যানেজার কাউসার আহমেদ বলেন,আমরা কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকায় ব্রীজের নিচে লিকেজ এর তথ্য পেয়েছি। এটা মেরামত করতে অনেক ব্যয়বহুল অর্থের প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন,আমাদের এমডি স্যার বরাবর সব ফাইল পাঠানো হয়েছে। এপ্রুভ করলেই ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে কাজ শুরু করবো।
কালিয়াকৈরে গ্যাস সংকটে ভোগান্তির স্বীকার ৩ শতাধিক পরিবার
-
কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধি : মেহেদি হাসান - আপডেট সময় : ১০:১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- 13
জনপ্রিয় সংবাদ




















