ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: ৫৬৭টি মণ্ডপে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি

 

কুড়িগ্রামে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দমুখর ও নির্বিঘ্নে সম্পাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​রোববার১১অক্টোবর,২৬ইং সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপন এবং জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে নানা দিক নির্দেশনা ও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
​প্রশাসন সূত্র জানায়, এ বছর কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার মোট ৫৬৭টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হবে। মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যানজট নিরসন, পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তার বিধান সহ যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।
​সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ও বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান, কুড়িগ্রাম বিজিবির প্রতিনিধি ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক এস এ মাহাবুব উল আলম এবং এনএসআই-এর উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান।
​রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব এবং জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন। গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষে বক্তব্য দেন প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার।
​সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “কুড়িগ্রাম জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব সম্প্রীতির আবহ বজায় রেখে উদযাপন করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। আসন্ন দুর্গোৎসব যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে মাদকসহ আটক, যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: ৫৬৭টি মণ্ডপে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

 

কুড়িগ্রামে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দমুখর ও নির্বিঘ্নে সম্পাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​রোববার১১অক্টোবর,২৬ইং সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপন এবং জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে নানা দিক নির্দেশনা ও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
​প্রশাসন সূত্র জানায়, এ বছর কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার মোট ৫৬৭টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হবে। মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যানজট নিরসন, পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তার বিধান সহ যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।
​সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ও বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান, কুড়িগ্রাম বিজিবির প্রতিনিধি ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক এস এ মাহাবুব উল আলম এবং এনএসআই-এর উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান।
​রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব এবং জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন। গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষে বক্তব্য দেন প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার।
​সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “কুড়িগ্রাম জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব সম্প্রীতির আবহ বজায় রেখে উদযাপন করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। আসন্ন দুর্গোৎসব যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”