ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকিরপশারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার বার্তা

শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উপলক্ষ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর তিনি পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় রাজারহাট উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রাজারহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে উপহারসামগ্রী বিতরণ শেষে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় তিনি শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপন এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণী,ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” এবং “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার”, এই বাণী পৌঁছে দেন। তিনি সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য কাম্য নয়। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালন, নিরাপদে বসবাস এবং সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপনের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। উৎসবের আনন্দ যেন কোনো ধরনের ভয়, অনিশ্চয়তা কিংবা বিভেদের কারণে ম্লান না হয়,এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, এবং আমি এই উন্নয়ন বঞ্চিত কুড়িগ্রাম জেলার জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে সরকারের কাছে আবেন করেছি যা ইতিমধ্যে কিছু বিভিন্ন অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দে দেওয়া হয়েছে এবং কাজও শুরু হয়েছে এবং সঠিক সময়ে কাজ সম্পূর্ণ হবে ইনশাআল্লাহ এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের মধ্যে তুলে ধরা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

উলিপুরে ইয়াবা ও গাঁজা সহ আটক ৩, ভ্রাম্যমান আদালতে একজনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

চাকিরপশারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার বার্তা

আপডেট সময় : ১০:০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উপলক্ষ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর তিনি পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় রাজারহাট উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রাজারহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে উপহারসামগ্রী বিতরণ শেষে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় তিনি শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপন এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণী,ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” এবং “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার”, এই বাণী পৌঁছে দেন। তিনি সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য কাম্য নয়। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালন, নিরাপদে বসবাস এবং সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপনের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। উৎসবের আনন্দ যেন কোনো ধরনের ভয়, অনিশ্চয়তা কিংবা বিভেদের কারণে ম্লান না হয়,এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, এবং আমি এই উন্নয়ন বঞ্চিত কুড়িগ্রাম জেলার জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে সরকারের কাছে আবেন করেছি যা ইতিমধ্যে কিছু বিভিন্ন অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দে দেওয়া হয়েছে এবং কাজও শুরু হয়েছে এবং সঠিক সময়ে কাজ সম্পূর্ণ হবে ইনশাআল্লাহ এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের মধ্যে তুলে ধরা হয়।