সম্প্রীতির বন্ধনের আরেক নাম বাংলাদেশ, তারই বহিঃপ্রকাশ শারদীয় দুর্গোৎসব, যদিও উৎসব হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কিন্তু খ্রিস্টান বৌদ্ধ মুসলিম মিলেমিশে একাকার, উৎসবের আমেজ ভাগাভাগি করে নিতে।
আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের সপ্তমী চলছে, এরই মধ্যে শারদীয় দুর্গা উৎসবে রঙে রঙিন কাঠালিয়া উপজেলা সদর।
কাঠালিয়া উপজেলা সদরে চারটি ঐতিহ্যবাহী পূজা মণ্ডপ রয়েছে।
আর চারটি পূজা মন্ডপই বর্ণিল আলোকসজ্জায় এবং দেবীর রূপে জ্বল জ্বল করছে পুরো কাঠালিয়া শহর।
সদর উপজেলার পূজা মন্ডপের সবচেয়ে বেশি সাজসজ্জায় এগিয়ে
– পন্ডিতবাড়ি শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির। ১১৭ বছর পূর্তিতে রাজশ্রী শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করছে তারা।
সার্বিক দায়িত্বে যারা আছেন –
শান্ত অধিকারী, সভাপতি।
সৌরভ অধিকার, কোষাধক্ষ্য।
মিঠুন অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক।
দাসপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মন্দিরটি নদীর পাড়বেষ্টিত হওয়ায়, যেমন প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যাবে তেমনি দুর্গোৎসবের আয়োজন উপভোগ করা যাবে। মন্দিরের প্রতিটি প্রতিমা যেন বাস্তবিক জীবন ফিরে পেয়েছে। কোন অংশে উৎসবের আমেজ ধরে রাখতে কমতি রাখেনি বিন্দু পরিমান।
মন্দিরের সকল কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে যারা আছেন
খগেন্দ্র ভূষণ দাস,প্রধান উপদেষ্টা
শৈলেন চন্দ্র মিত্র,উপদেষ্টা
পরিমল দাস, উপদেষ্টা
এবং
জ্যোতিময় দাস তনু, সভাপতি
নিখিল দেবনাথ,সম্পাদক
মনিন্দ্র দাস, কোষাধক্ষ্য।
কাঠালিয়া সদর উপজেলার আরেক আকর্ষণ শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কেন্দ্রীয় সেবাশ্রম।
বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন, বরিশাল পাথরঘাটা হাইওয়ের পাশেই অবস্থিত।
আলোকসজ্জায় যেমন সজ্জিত করেছে তেমনি দেবীদের রূপে মুগ্ধ করতেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে।
সারাদিন মানুষের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।
পূজা কমিটিতে আছেন –
হিরেন্দ্র কুমার বেপারী, সভাপতি।
সুব্রত চন্দ্র দেবনাথ, কোষাধক্ষ্য।
তপন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক।
সদর উপজেলার আরেক পূজা মন্ডপ শ্রী শ্রী অবধুত সেবাশ্রম, উত্তরপূর্ব আউড়া।
বিশাল আয়তন নিয়ে, শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করেছে তারা।
যেখানে তারা দেবীদের রেখেছে , সে ঘরটি ও অন্য অন্য মন্ডপের থেকে অনেক বড়।মহা আয়োজনে বিন্দু পরিমাণে কমতিও নেই তাদের ।
আর এই মহা আয়োজনের পিছনে যারা কাজ করছে –
বাবু নির্মল চন্দ্র গোমস্তা, সভাপতি।
বাবু পীযুষ চন্দ্র হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ। “ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় দুর্গোৎসবের উৎসবমুখর আমেজ, মন্দিরে মন্দিরে বর্ণাঢ্য আয়োজন”
মোঃ শফিকুল ইসলাম
প্রতিনিধি,ঝালকাঠি।
সম্প্রীতির বন্ধনের আরেক নাম বাংলাদেশ, তারই বহিঃপ্রকাশ শারদীয় দুর্গোৎসব, যদিও উৎসব হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কিন্তু খ্রিস্টান বৌদ্ধ মুসলিম মিলেমিশে একাকার, উৎসবের আমেজ ভাগাভাগি করে নিতে।
আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের সপ্তমী চলছে, এরই মধ্যে শারদীয় দুর্গা উৎসবে রঙে রঙিন কাঠালিয়া উপজেলা সদর।
কাঠালিয়া উপজেলা সদরে চারটি ঐতিহ্যবাহী পূজা মণ্ডপ রয়েছে।
আর চারটি পূজা মন্ডপই বর্ণিল আলোকসজ্জায় এবং দেবীর রূপে জ্বল জ্বল করছে পুরো কাঠালিয়া শহর।
সদর উপজেলার পূজা মন্ডপের সবচেয়ে বেশি সাজসজ্জায় এগিয়ে
– পন্ডিতবাড়ি শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির। ১১৭ বছর পূর্তিতে রাজশ্রী শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করছে তারা।
সার্বিক দায়িত্বে যারা আছেন –
শান্ত অধিকারী, সভাপতি।
সৌরভ অধিকার, কোষাধক্ষ্য।
মিঠুন অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক।
দাসপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মন্দিরটি নদীর পাড়বেষ্টিত হওয়ায়, যেমন প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যাবে তেমনি দুর্গোৎসবের আয়োজন উপভোগ করা যাবে। মন্দিরের প্রতিটি প্রতিমা যেন বাস্তবিক জীবন ফিরে পেয়েছে। কোন অংশে উৎসবের আমেজ ধরে রাখতে কমতি রাখেনি বিন্দু পরিমান।
মন্দিরের সকল কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে যারা আছেন
খগেন্দ্র ভূষণ দাস,প্রধান উপদেষ্টা
শৈলেন চন্দ্র মিত্র,উপদেষ্টা
পরিমল দাস, উপদেষ্টা
এবং
জ্যোতিময় দাস তনু, সভাপতি
নিখিল দেবনাথ,সম্পাদক
মনিন্দ্র দাস, কোষাধক্ষ্য।
কাঠালিয়া সদর উপজেলার আরেক আকর্ষণ শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কেন্দ্রীয় সেবাশ্রম।
বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন, বরিশাল পাথরঘাটা হাইওয়ের পাশেই অবস্থিত।
আলোকসজ্জায় যেমন সজ্জিত করেছে তেমনি দেবীদের রূপে মুগ্ধ করতেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে।
সারাদিন মানুষের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।
পূজা কমিটিতে আছেন –
হিরেন্দ্র কুমার বেপারী, সভাপতি।
সুব্রত চন্দ্র দেবনাথ, কোষাধক্ষ্য।
তপন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক।
সদর উপজেলার আরেক পূজা মন্ডপ শ্রী শ্রী অবধুত সেবাশ্রম, উত্তরপূর্ব আউড়া।
বিশাল আয়তন নিয়ে, শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করেছে তারা।
যেখানে তারা দেবীদের রেখেছে , সে ঘরটি ও অন্য অন্য মন্ডপের থেকে অনেক বড়।মহা আয়োজনে বিন্দু পরিমাণে কমতিও নেই তাদের ।
আর এই মহা আয়োজনের পিছনে যারা কাজ করছে –
বাবু নির্মল চন্দ্র গোমস্তা, সভাপতি।
বাবু পীযুষ চন্দ্র হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ।
আবু জয়দেব চন্দ্র, সাধারণ সম্পাদক।
সব মিলিয়ে চার পূজা মন্ডপে যেন সাজসজ্জার প্রতিযোগিতা চলছে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের যেহেতু মহোৎসব, আয়োজনের বিন্দু পরিমান কার্পণ্য তারা করেনি।
জেলা /উপজেলাকে প্রশাসনিক ভাবেও নজরদারীতে রেখেছে।ঝালকাঠির জেলা প্রশাসন। কাঠালিয়া উপজেলার ইএনও মহোদয় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে।পুলিশ, এসআরবি, ডিজিএফআই, এনএস আই ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে কাজ করছে।
যাতে করে শারদীয় দুর্গাপূজায় কোন প্রকার অরাজকতা, নাশকতা সৃষ্টি করার কেউ সাহস না পায়।
প্রতিটা পূজা মন্ডপে সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত আছে আনসার বাহিনী।
আবু জয়দেব চন্দ্র, সাধারণ সম্পাদক।
সব মিলিয়ে চার পূজা মন্ডপে যেন সাজসজ্জার প্রতিযোগিতা চলছে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের যেহেতু মহোৎসব, আয়োজনের বিন্দু পরিমান কার্পণ্য তারা করেনি।
জেলা /উপজেলাকে প্রশাসনিক ভাবেও নজরদারীতে রেখেছে।ঝালকাঠির জেলা প্রশাসন। কাঠালিয়া উপজেলার ইএনও মহোদয় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে।পুলিশ, এসআরবি, ডিজিএফআই, এনএস আই ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে কাজ করছে।
যাতে করে শারদীয় দুর্গাপূজায় কোন প্রকার অরাজকতা, নাশকতা সৃষ্টি করার কেউ সাহস না পায়।
প্রতিটা পূজা মন্ডপে সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত আছে আনসার বাহিনী।
মোঃ শফিকুল ইসলাম,ঝালকাঠি। 


















