ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে সম্প্রীতির নতুন সুর: সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা

 

 

ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ভালোবাসার বন্ধনে একটি সুন্দর শহর গড়ার স্বপ্ন—ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে ধ্বনিত হচ্ছে সম্প্রীতির এই সুর। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ নির্বাচনকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে খোলামেলা আলোচনায় মেতেছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ভূল্লী উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কদম রসুল হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন “আমাদের এই ঠাকুরগাঁও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভূমি। যুগের পর যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাস করে আসছি। শুধু ভোটের হিসাবের জন্য নয়, আমি একটি স্থায়ী শান্তির ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে চাই—যেখানে কেউ নিজেকে ‘সংখ্যালঘু’ মনে করবেন না, বরং প্রত্যেকেই একজন গর্বিত বাংলাদেশী হিসেবে নিজের পূর্ণ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বাস করবেন।”

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষরা তাদের দৈনন্দিন সমস্যা, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার কথা এবং পূজা-পার্বণে মন্দিরগুলোর বিশেষ সুরক্ষার দাবি তুলে ধরেন। মির্জা ফয়সাল আমীন এসব দাবির জবাবে প্রতিশ্রুতি দেন—সনাতনীদের প্রতিটি ন্যায্য অধিকার রক্ষা এবং ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তার মূল অগ্রাধিকার।

নেতাকর্মী ও স্থানীয় অধিবাসীদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা সভাটি শুধু রাজনৈতিক প্রচারণাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রুপ নিয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড

ঠাকুরগাঁওয়ে সম্প্রীতির নতুন সুর: সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা

আপডেট সময় : ১২:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

 

 

ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ভালোবাসার বন্ধনে একটি সুন্দর শহর গড়ার স্বপ্ন—ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে ধ্বনিত হচ্ছে সম্প্রীতির এই সুর। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ নির্বাচনকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে খোলামেলা আলোচনায় মেতেছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ভূল্লী উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কদম রসুল হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন “আমাদের এই ঠাকুরগাঁও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভূমি। যুগের পর যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাস করে আসছি। শুধু ভোটের হিসাবের জন্য নয়, আমি একটি স্থায়ী শান্তির ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে চাই—যেখানে কেউ নিজেকে ‘সংখ্যালঘু’ মনে করবেন না, বরং প্রত্যেকেই একজন গর্বিত বাংলাদেশী হিসেবে নিজের পূর্ণ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বাস করবেন।”

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষরা তাদের দৈনন্দিন সমস্যা, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার কথা এবং পূজা-পার্বণে মন্দিরগুলোর বিশেষ সুরক্ষার দাবি তুলে ধরেন। মির্জা ফয়সাল আমীন এসব দাবির জবাবে প্রতিশ্রুতি দেন—সনাতনীদের প্রতিটি ন্যায্য অধিকার রক্ষা এবং ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তার মূল অগ্রাধিকার।

নেতাকর্মী ও স্থানীয় অধিবাসীদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা সভাটি শুধু রাজনৈতিক প্রচারণাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রুপ নিয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনে।