ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লাইসেন্স নবায়নের দাবিতে রিক্সাও রিক্সা ভ্যান মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিকশা ও রিকশা ভ্যান মালিক সমিতি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের পৈরতলা এলাকায় সমিতির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা রিকশা ও রিকশা ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমাস উদ্দিন এবং সমিতির সভাপতি জহিরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ৮ থেকে ১০ হাজার রিকশা চলাচল করছে। এতে শহরে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ সদর উপজেলায় বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিকশার সংখ্যা ৩ হাজার।
গত তিন বছর ধরে এসব রিকশার লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বৈধ মালিকেরা। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় দেড় বছর আগে ১ থেকে দেড় হাজার চালক নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিলেও তাঁরা বৈধ কাগজপত্র পাচ্ছেন না।
নিয়ম অনুযায়ী, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স পাওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিনেও নবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। অথচ একটি চক্র টাকার বিনিময়ে নকল লাইসেন্স সরবরাহ করায় শহরে অবৈধ রিকশার সংখ্যা বাড়ছে। বক্তারা দ্রুত লাইসেন্স নবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুরে দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির শাড়ী বিতরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লাইসেন্স নবায়নের দাবিতে রিক্সাও রিক্সা ভ্যান মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিকশা ও রিকশা ভ্যান মালিক সমিতি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের পৈরতলা এলাকায় সমিতির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা রিকশা ও রিকশা ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমাস উদ্দিন এবং সমিতির সভাপতি জহিরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ৮ থেকে ১০ হাজার রিকশা চলাচল করছে। এতে শহরে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ সদর উপজেলায় বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিকশার সংখ্যা ৩ হাজার।
গত তিন বছর ধরে এসব রিকশার লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বৈধ মালিকেরা। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় দেড় বছর আগে ১ থেকে দেড় হাজার চালক নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিলেও তাঁরা বৈধ কাগজপত্র পাচ্ছেন না।
নিয়ম অনুযায়ী, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স পাওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিনেও নবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। অথচ একটি চক্র টাকার বিনিময়ে নকল লাইসেন্স সরবরাহ করায় শহরে অবৈধ রিকশার সংখ্যা বাড়ছে। বক্তারা দ্রুত লাইসেন্স নবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।