ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে পারুয়া ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের নিরাপত্তায় সন্তোষ প্রকাশ পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পারুয়া ইউনিয়নের প্রায় সাতটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও শ্রমিকদলের নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রবীণ নেতা সৈয়দ আহমদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজিত বড়ুয়া, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য ও পারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইউনুচ, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ সোহেল, ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ সেলিম, ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি মুহাম্মদ সাইফুল, লোকমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী জিকু, ছাত্রনেতা ইকবাল, রমজান, সিরাজুদ্দুল্লাহ, মইনুদ্দিন, আক্তার, জিসাদসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
পরিদর্শনকালে পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পূজার আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন নেতৃবৃন্দ। এ সময় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে তাঁরা মতবিনিময় করেন।
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর দুর্গাপূজা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে ছয়জন করে আনসার-ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন, যেখানে আগের বছরগুলোতে তিনজন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করতেন।
এ ছাড়া প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে পারুয়া ইউনিয়নের মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন দেখে তাঁরা মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। ভবিষ্যতেও মুসলিম ভাইয়েরা এভাবে আমাদের পাশে থাকলে আমরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারব।”
তাঁরা দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাতকের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে তরুণদের স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু মানিক রওশন ফুটবল একাডেমির

রাঙ্গুনিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে পারুয়া ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ

আপডেট সময় : ১০:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের নিরাপত্তায় সন্তোষ প্রকাশ পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পারুয়া ইউনিয়নের প্রায় সাতটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও শ্রমিকদলের নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রবীণ নেতা সৈয়দ আহমদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজিত বড়ুয়া, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য ও পারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইউনুচ, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ সোহেল, ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ সেলিম, ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি মুহাম্মদ সাইফুল, লোকমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী জিকু, ছাত্রনেতা ইকবাল, রমজান, সিরাজুদ্দুল্লাহ, মইনুদ্দিন, আক্তার, জিসাদসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
পরিদর্শনকালে পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পূজার আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন নেতৃবৃন্দ। এ সময় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে তাঁরা মতবিনিময় করেন।
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর দুর্গাপূজা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে ছয়জন করে আনসার-ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন, যেখানে আগের বছরগুলোতে তিনজন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করতেন।
এ ছাড়া প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে পারুয়া ইউনিয়নের মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন দেখে তাঁরা মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। ভবিষ্যতেও মুসলিম ভাইয়েরা এভাবে আমাদের পাশে থাকলে আমরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারব।”
তাঁরা দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।