ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটের বাক-প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত

 

 

বুধবার দুপুরে আসামি শহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারার অপরাধে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরোও ৩ মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে ০৪ আগষ্ট আসামি শহিদুল ইসলাম শশুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এসময় ভিক্টিমকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে শশুর বাড়ি ফাঁকা পেয়ে ভিক্টিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ভিক্টিম বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে আসে, ভিক্টিমের মা জিজ্ঞেস করলে ইশারা করে শহিদুলের নাম বলেন। পরে ভিক্টিমের বাবা রশিদুল ইসলাম হাতিবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ভিক্টিম শিশুটি একটি বাক-প্রতিবন্ধী স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। আসামি শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের ছেলে।এ মামলা রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, এ মামলাটি আলোচিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। বাক প্রতিবন্ধী শিশুটিকে আসামি মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোড় করে ধর্ষণ করে। পরে ভিক্টিম বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে আসে, ভিক্টিম শিশুটির মা জিজ্ঞেস করলে ইশারা করে শহিদুলের নাম বলেন। বিজ্ঞ আদালত আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে মাদকসহ আটক, যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

লালমনিরহাটের বাক-প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত

আপডেট সময় : ০৪:১৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

বুধবার দুপুরে আসামি শহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারার অপরাধে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরোও ৩ মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে ০৪ আগষ্ট আসামি শহিদুল ইসলাম শশুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এসময় ভিক্টিমকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে শশুর বাড়ি ফাঁকা পেয়ে ভিক্টিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ভিক্টিম বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে আসে, ভিক্টিমের মা জিজ্ঞেস করলে ইশারা করে শহিদুলের নাম বলেন। পরে ভিক্টিমের বাবা রশিদুল ইসলাম হাতিবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ভিক্টিম শিশুটি একটি বাক-প্রতিবন্ধী স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। আসামি শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের ছেলে।এ মামলা রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, এ মামলাটি আলোচিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। বাক প্রতিবন্ধী শিশুটিকে আসামি মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোড় করে ধর্ষণ করে। পরে ভিক্টিম বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে আসে, ভিক্টিম শিশুটির মা জিজ্ঞেস করলে ইশারা করে শহিদুলের নাম বলেন। বিজ্ঞ আদালত আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।