ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​শিক্ষার আলো ছড়ানো ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান মোহাম্মদ ইলিয়াস: শামলাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে লড়ার ঘোষণা

 

 

​কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুরান পাড়া (২ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকায় শিক্ষার বিকাশ, সামাজিক উন্নয়ন ও মেধা বিকাশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবার। এই অঞ্চলের শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ‘শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৫০ শতক জমি দান করেছিলেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাবেক মেম্বার হাজী মীর কাসেম (আজিজুল হক)। বয়স ৭৫ বছর পার হলেও তিনি এখনো জীবিত থেকে এলাকার সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন।
​পিতার সেই প্রজ্ঞা, শিক্ষানুরাগী চেতনা ও জনসেবামূলক ঐতিহ্যকে লালন করে এবার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তাঁরই সুযোগ্য সন্তান, তরুণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ ইলিয়াস।
​পিতার হাত ধরে শিক্ষার সূচনা ও ঐতিহ্য
​স্থানীয় প্রবীণদের সূত্রে জানা যায়, বাহারছড়া ও শামলাপুর এলাকায় যখন শিক্ষার সঠিক পরিবেশ ও কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল না, তখন শিক্ষার প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন হাজী মীর কাসেম মেম্বার। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা ও অসামান্য অবদানের অংশ হিসেবে নিজের মূল্যবান ৫০ শতক জমি দান করায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়’। বর্তমানে শত শত শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে আলোর মুখ দেখছে। জীবনের ৭৫টি বসন্ত পার করা এই গুণী ব্যক্তিত্ব এখনো এলাকার মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র।
​বিদ্যালয়ের ধারাবাহিক অগ্রগতি ও বিজ্ঞান মেলা
​হাজী মীর কাসেম মেম্বারের প্রতিষ্ঠিত সেই শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ আজ কেবল পাঠদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
​এরই ধারাবাহিকতায় আজ (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জাঁকজমকপূর্ণ “বিজ্ঞান ও গণিত মেলা” (Science and Math Fair) অনুষ্ঠিত হয়। ‘Girls Get Equal 2.0: Realising Rights and Building Resilience’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় নরওয়ে সরকারের সহায়তায় এবং ‘প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়ন করে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘মুক্তি কক্সবাজার’। উক্ত মেলায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ক নানা উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপন করে, যা এলাকায় শিক্ষার প্রসারে হাজী মীর কাসেমের দূরদর্শী অবদানেরই এক বাস্তব প্রতিফলন।
​রাজনীতি ও সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইলিয়াস
​পিতার আদর্শকে পাথেয় করে মোহাম্মদ ইলিয়াসও দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র বাহারছড়া উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের সাংগঠনিক ভিত সুদৃঢ় করার পাশাপাশি যেকোনো বিপদে-আপদে এলাকার মেহনতি মানুষের পাশে থেকে ইতোমধ্যেই তিনি সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
​নির্বাচনী অঙ্গীকার ও গণসংযোগ
​আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান পাড়াসহ সর্বস্তরের আপামর সাধারণ মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় বাড়িয়ে দিয়েছেন মোহাম্মদ ইলিয়াস।
​নিজের প্রার্থিতা ও লক্ষ্য নিয়ে মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন,
​”আমার শ্রদ্ধেয় বাবা হাজী মীর কাসেম মেম্বার সারাজীবন এলাকার মানুষের কল্যাণ ও শিক্ষার প্রসারে কাজ করে গেছেন। ৭৫ বছর বয়সেও তিনি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। বাবার রেখে যাওয়া সেই জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জনগণ সুযোগ দিলে শামলাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মানোন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব।”
​এলাকার সাধারণ ভোটার ও প্রবীণদের মতে, হাজী মীর কাসেমের পরিবারের যে অবদান ও শিক্ষা সচেতনতা রয়েছে, তাঁর সন্তান মোহাম্মদ ইলিয়াস মেম্বার নির্বাচিত হলে ২ নম্বর ওয়ার্ড একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও সুশাসিত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে উঠবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে মাদকসহ আটক, যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

​শিক্ষার আলো ছড়ানো ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান মোহাম্মদ ইলিয়াস: শামলাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে লড়ার ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

​কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুরান পাড়া (২ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকায় শিক্ষার বিকাশ, সামাজিক উন্নয়ন ও মেধা বিকাশে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবার। এই অঞ্চলের শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ‘শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৫০ শতক জমি দান করেছিলেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাবেক মেম্বার হাজী মীর কাসেম (আজিজুল হক)। বয়স ৭৫ বছর পার হলেও তিনি এখনো জীবিত থেকে এলাকার সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন।
​পিতার সেই প্রজ্ঞা, শিক্ষানুরাগী চেতনা ও জনসেবামূলক ঐতিহ্যকে লালন করে এবার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তাঁরই সুযোগ্য সন্তান, তরুণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ ইলিয়াস।
​পিতার হাত ধরে শিক্ষার সূচনা ও ঐতিহ্য
​স্থানীয় প্রবীণদের সূত্রে জানা যায়, বাহারছড়া ও শামলাপুর এলাকায় যখন শিক্ষার সঠিক পরিবেশ ও কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল না, তখন শিক্ষার প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন হাজী মীর কাসেম মেম্বার। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা ও অসামান্য অবদানের অংশ হিসেবে নিজের মূল্যবান ৫০ শতক জমি দান করায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়’। বর্তমানে শত শত শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে আলোর মুখ দেখছে। জীবনের ৭৫টি বসন্ত পার করা এই গুণী ব্যক্তিত্ব এখনো এলাকার মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র।
​বিদ্যালয়ের ধারাবাহিক অগ্রগতি ও বিজ্ঞান মেলা
​হাজী মীর কাসেম মেম্বারের প্রতিষ্ঠিত সেই শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ আজ কেবল পাঠদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
​এরই ধারাবাহিকতায় আজ (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জাঁকজমকপূর্ণ “বিজ্ঞান ও গণিত মেলা” (Science and Math Fair) অনুষ্ঠিত হয়। ‘Girls Get Equal 2.0: Realising Rights and Building Resilience’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় নরওয়ে সরকারের সহায়তায় এবং ‘প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়ন করে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘মুক্তি কক্সবাজার’। উক্ত মেলায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ক নানা উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপন করে, যা এলাকায় শিক্ষার প্রসারে হাজী মীর কাসেমের দূরদর্শী অবদানেরই এক বাস্তব প্রতিফলন।
​রাজনীতি ও সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইলিয়াস
​পিতার আদর্শকে পাথেয় করে মোহাম্মদ ইলিয়াসও দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র বাহারছড়া উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের সাংগঠনিক ভিত সুদৃঢ় করার পাশাপাশি যেকোনো বিপদে-আপদে এলাকার মেহনতি মানুষের পাশে থেকে ইতোমধ্যেই তিনি সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
​নির্বাচনী অঙ্গীকার ও গণসংযোগ
​আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান পাড়াসহ সর্বস্তরের আপামর সাধারণ মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় বাড়িয়ে দিয়েছেন মোহাম্মদ ইলিয়াস।
​নিজের প্রার্থিতা ও লক্ষ্য নিয়ে মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন,
​”আমার শ্রদ্ধেয় বাবা হাজী মীর কাসেম মেম্বার সারাজীবন এলাকার মানুষের কল্যাণ ও শিক্ষার প্রসারে কাজ করে গেছেন। ৭৫ বছর বয়সেও তিনি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। বাবার রেখে যাওয়া সেই জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জনগণ সুযোগ দিলে শামলাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মানোন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব।”
​এলাকার সাধারণ ভোটার ও প্রবীণদের মতে, হাজী মীর কাসেমের পরিবারের যে অবদান ও শিক্ষা সচেতনতা রয়েছে, তাঁর সন্তান মোহাম্মদ ইলিয়াস মেম্বার নির্বাচিত হলে ২ নম্বর ওয়ার্ড একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও সুশাসিত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে উঠবে।