চিফ হুইপ বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম মৌলিক শর্ত খাদ্য। আর খাদ্যসংস্থান সরাসরি উদ্ভিদ ও বিভিন্ন প্রাণীর ওপর নির্ভরশীল। মাছ, মাংস ও উদ্ভিদজাত খাদ্য মানুষের পুষ্টি ও জীবনধারণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে প্রাণী ও উদ্ভিদকূলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মানেই মানুষের খাদ্য ও জীবনব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, রাজনীতি বা তাত্ত্বিক আলোচনার বাইরে সাধারণ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা এবং সন্তানদের সুশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাও মানুষের জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের বাস্তব সুফল মানুষের কাছে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
দেশের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, নদী, হাওড়, বন, পাহাড়, জলাভূমি ও সুন্দরবনসহ বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র অসংখ্য প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির আবাসস্থল। এই সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রাণী ও উদ্ভিদকূলের সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও টেকসই গবেষণার মাধ্যমে তরুণরা দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
অনলাইন ডেস্ক 



















