গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ মো. মনিরুল ইসলাম জানান, গতকাল বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মোট ১০৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাসুদুর রহমান বলেন, “রোগীদের সঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন। যে সময়টুকু বিদ্যুৎ থাকে না, সে সময় রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জেনারেটর অথবা আইপিএস থাকা দরকার। বর্তমানে এখানে একটি আইপিএস রয়েছে, যা দিয়ে জরুরি বিভাগে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের জন্য জেনারেটর অথবা অতিরিক্ত আইপিএস প্রয়োজন। বিদ্যুৎ না থাকলে অনেক সময় মোবাইল ফোনের টর্চের আলো জ্বালিয়েও রোগী দেখতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের অফিস সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি, জেনারেটরটি সাত থেকে আট বছর ধরে নষ্ট রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁরা দ্রুত এটি মেরামতের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।”
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা বলেন, “গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। উপজেলার অধিকাংশ রোগী এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। লোডশেডিং হলে ভর্তি রোগীদের অনেক কষ্ট হয়। তাই হাসপাতালে কীভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।
মোঃ মামুনুর রশীদ মেহেরপুর প্রতিনিধি 


















