চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া য় ১১ নং কদমতলী ইউনিয়নে অঞ্জনা দাস (৪৫) পূর্ব চন্দ্রঘোনা হিন্দুপাড়া কাঞ্চন দাস ওরফে লাল সাধুর স্ত্রী। সে নিঃসন্তান ছিলেন। কয়েকদিন আগে তার স্বামী কাঞ্চন দাস তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে এলাকায় সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে স্থানীয় সালিশানদের সামনে জনৈক যুবকের সাথে অঞ্জনার অ/শ্লী/ল ছবি ও ভিডিও ফুটেজ জনসম্মুখে উপস্থাপন করে চরম ভাবে অপমানিত করা হয়। এলাকাবাসীর মতে, বৈঠকে তাকে চরমভাবে অপমানিত করায় অপমান সহ্য করতে না পেরে সে গত ( ৪ সেপ্টেম্বর) নিজ বাড়িতে ফাঁসিতে ঝুলে আ/ত্ম হত্যা চেষ্টা করে। মু/মূ/র্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে চট্টগ্রামের সেন্ট্রাল হাসপাতাল ও পরে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ৯ দিন মৃ/ত্যুর সাথে পা/ঞ্জা লড়ে অবশেষে (১৩ সেপ্টেম্বর) রবিবার বিকেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃ/শ্বাস ত্যাগ করে। তার বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১১নং চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চন্দ্রঘোনা হিন্দু পাড়া বলে জানা গেছে। এই রহস্যজনক মৃ/ত্যু/কে ঘিরে এলাকায় চঞ্চলের সৃষ্টি করে। এলাকাবাসী ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীকে শাস্তি আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছে। গোপন সূত্রের জানা গেছে কাঞ্চন দাসের সঙ্গে চিহ্নই কৃষ্ণ দাসের সাথে গভীর সম্পৃক্ততা রয়েছে চেন্নাই কৃষ্ণ দাস একজন চট্টগ্রাম কোট বিল্ডিং এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলীফ হত্যার মামলার প্রধান আসামি চিন্নই কৃষ্ণ দাস বর্তমান চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছেন তার সাথে অনেক ছবি ও প্রমাণ করে সেও হত্যা মামলায় জড়িত আছে কিনা কাঞ্চন দাস।
ঘটনা উদঘাটন করে আইনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সূত্রের জানা যায় অঞ্জনা দাস মৃত্যুর আগে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৫ ২০ লক্ষ টাকা জামানত ছিলেন সেই টাকা স্বামী কাঞ্চন দাস জোরপূর্বক টাকাটা উঠে ফেলা হয়। তারপর থেকে শুরু হয় অমানবিক ও মানসিক নির্যাতন পরকীয়ার সূত্র বের করে
রাঙ্গুনিয়া টিভি ফেসবুক পেইজে তার অবৈধ কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরলে প্রকাশিত হওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে অপমান সহ্য করতে না পেরে সে গলায় ফাঁস দে তৎকালীন চট্টগ্রাম একটি প্রাইভেট হসপিটাল নিয়ে যায় ওখান থেকে নয় দিন চিকিৎসার পর মৃত ঘোষণা করে। ঘটনাটি সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষে জোর দাবী জানাচ্ছেন স্থানীয়রা
প্রতিবেদক ওমর ফারুক 


















