বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দৃশ্যম ৩ : দ্য কনক্লুশন’-এর ট্রেলার। আর তাতেই স্পষ্ট—এবার আর আগের মতো সহজে পুলিশকে বোকা বানাতে পারবেন না অজয় দেবগন।
২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দৃশ্যম’-এ দেখা গিয়েছিল, কিশোরী মেয়েকে উত্ত্যক্ত করা এক কিশোরকে দুর্ঘটনাবশত হত্যার পর পরিবারকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন বিজয় সালগাওকার। স্ত্রী নন্দিনী ও দুই মেয়েকে নিয়ে এরপর পুলিশের চোখে ধুলো দিতে একের পর এক পরিকল্পনা সাজান তিনি।
নতুন ট্রেলারের শুরুতেই দেখা যায় তাবুর চরিত্র মীরা দেশমুখকে। নিহত কিশোরের মা মীরা বছরের পর বছর ধরে বিজয়ের পেছনে ছুটছেন।
প্রকাশ রাজকে দেখা যাবে একজন আইনজীবীর ভূমিকায়। অন্যদিকে জয়দীপ আহলাওয়াত অভিনয় করেছেন অপরাধ দমন শাখার পুলিশ সুপারের চরিত্রে।
ট্রেলারে তাবুকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আর বিচার চাই না, প্রতিশোধ চাই।’
প্রকাশ রাজের চরিত্রকেও বিজয় সম্পর্কে সতর্ক থাকতে দেখা যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজয় হয়তো খুব বেশি শিক্ষিত নন, কিন্তু মোটেও বোকা নন। তাই তাঁকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।
অন্যদিকে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পারছেন বিজয়ও। অজয় দেবগনের চরিত্রটি বুঝতে পারছে, তাঁর স্বাধীনতার দিন হয়তো শেষের পথে। তাই স্ত্রী নন্দিনী, বড় মেয়ে অঞ্জু ও ছোট মেয়ে অনুকে সতর্ক করে তিনি জানান, এবার আর এটি বুদ্ধির লড়াই নয়, বরং ভাগ্যের খেলা। ফলে সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা আগে থেকে কোনোভাবেই প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।
‘দৃশ্যম ৩’কে দশকব্যাপী হত্যারহস্যের ‘মহাকাব্যিক সমাপ্তি’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ‘দৃশ্যম’-এর গল্পে ২ অক্টোবর তারিখটির বিশেষ গুরুত্ব থাকায় মুক্তির তারিখ নির্বাচন নিয়েও দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই তারিখকে ঘিরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নিয়ে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য মিম তৈরি হয়েছে।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক পাঠক। এর আগে ‘দৃশ্যম ২’-ও নির্মাণ করেছিলেন তিনি। প্রথম কিস্তির পরিচালক নিশিকান্ত কামাত ২০২০ সালের আগস্টে মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির দায়িত্ব নেন অভিষেক।
এবার ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নতুন সংযোজন প্রকাশ রাজ ও জয়দীপ আহলাওয়াত। তবে দ্বিতীয় কিস্তিতে দেখা যাওয়া অক্ষয় খান্নাকে এবার আর থাকছেন না। শুটিং শুরুর কিছুদিন আগে সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
সব মিলিয়ে ‘দৃশ্যম ৩’-এর ট্রেলার বলছে, এবার বিজয় সালগাওকারের সামনে শুধু পুলিশ নয়, প্রতিশোধপরায়ণ মীরা, অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং অপরাধ দমন শাখার দক্ষ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
ফলে এক দশক ধরে যে বুদ্ধির খেলায় বিজয় এগিয়ে ছিলেন, তার শেষ অধ্যায়টি যে আরও ভয়ংকর হতে চলেছে, ট্রেলারেই মিলেছে সেই ইঙ্গিত।
অনলাইন ডেস্ক 






















