ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন। ইতিমধ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নকশাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। 

তিনি জানান, দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমিয়ে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর, ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই করিডরে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন (নকশা) প্রণয়নের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

 

কবে নাগাদ এটি চালু হবে— এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এটি বাস্তবায়িত হলে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে, ফলে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে আসবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ

শাকিব থেকে অপূর্ব, পুরনো লুকে তারকাদের নস্টালজিয়া

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন। ইতিমধ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নকশাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। 

তিনি জানান, দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমিয়ে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর, ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই করিডরে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন (নকশা) প্রণয়নের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

 

কবে নাগাদ এটি চালু হবে— এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এটি বাস্তবায়িত হলে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে, ফলে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে আসবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।