ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসার ছাত্রকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ: শিক্ষকের শাসন বনাম পৈশাচিকতা নিয়ে প্রশ্ন

 

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর আজ ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষক কর্তৃক এক ছাত্রকে শারীরিকভাবে অমানবিক ও নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রকে শিক্ষক শাসন করবেন—এটি স্বাভাবিক ও প্রচলিত নিয়ম। আদব-কায়দা ও পড়ালেখার শৃঙ্খলার জন্য শিক্ষকের শাসনকে বরাবরই অভিভাবকরা সাধুবাদ জানিয়ে আসছেন। তবে সেই শাসন যখন মাত্রা ছাড়িয়ে অমানবিক বা শারীরিক নির্যাতনের রূপ নেয়, তখন তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

​এ ধরনের ঘটনায় সমগ্র শিক্ষক সমাজ ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম ক্ষুণ্ন হয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অভিভাবকদের মতে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সংশোধনের জন্য বেত্রাঘাত বা শারীরিক নির্যাতন নয়, বরং মানবিক দিক বিবেচনা করে মনস্তাত্ত্বিক ও সহানুভূতিশীল উপায়ে শাসন করা উচিত।

অমানবিক উপায়ে পরিচালিত এমন শাস্তি কেবল ছাত্রের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকেই বাধাগ্রস্ত করে না, বরং প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনামও নষ্ট করে।

​এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসার ছাত্রকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ: শিক্ষকের শাসন বনাম পৈশাচিকতা নিয়ে প্রশ্ন

মাদ্রাসার ছাত্রকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ: শিক্ষকের শাসন বনাম পৈশাচিকতা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর আজ ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষক কর্তৃক এক ছাত্রকে শারীরিকভাবে অমানবিক ও নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রকে শিক্ষক শাসন করবেন—এটি স্বাভাবিক ও প্রচলিত নিয়ম। আদব-কায়দা ও পড়ালেখার শৃঙ্খলার জন্য শিক্ষকের শাসনকে বরাবরই অভিভাবকরা সাধুবাদ জানিয়ে আসছেন। তবে সেই শাসন যখন মাত্রা ছাড়িয়ে অমানবিক বা শারীরিক নির্যাতনের রূপ নেয়, তখন তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

​এ ধরনের ঘটনায় সমগ্র শিক্ষক সমাজ ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম ক্ষুণ্ন হয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অভিভাবকদের মতে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সংশোধনের জন্য বেত্রাঘাত বা শারীরিক নির্যাতন নয়, বরং মানবিক দিক বিবেচনা করে মনস্তাত্ত্বিক ও সহানুভূতিশীল উপায়ে শাসন করা উচিত।

অমানবিক উপায়ে পরিচালিত এমন শাস্তি কেবল ছাত্রের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকেই বাধাগ্রস্ত করে না, বরং প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনামও নষ্ট করে।

​এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার।