ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারী সম্পত্তি নিজের দাবী করে শিক্ষকগণের নামে অভিযোগ যাহা ভুয়া ও ভিত্তিহীন

৪সেপ্টেম্বর২০২৬ইং

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় আদালত অবমাননা ও বিচারাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অবৈধ স্থাপনা তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয় যে তদন্ত কালিন সময়ে পাঠাগারের নাম বদলে ফেলায় স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টির ব্যাপারে তদন্ত কারী কর্মকর্তা নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত করেন,তদন্ত চরাকালীন সময়ে দেখতে পান যে অভিযুক্ত জায়গায় নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগার এর নামে সাইন বোড সম্মিলিত একটি টিনসেড ঘর রহিয়াছে, যে ঘরে প্রতিনিয়ত অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীগণ অবসর সময়ে বই পড়েন।সরেজমিন তদন্ত করে স্কুল সংলগ্ন এলাকার জনসাধারণকে জিজ্ঞাসা বাদে জানা যায় ও দেখা যায় যে এই বিষয়টি আদৌ কারো কোন অভিযোগ নেই,বাস্তবে নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগার নামে স্থাপিত। তাই তাই তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ কারীর অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করেন

ঘটনার তদন্ত আরো জানা যায় যে, উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়নের হিজলী মৌজায় এসএ খতিয়ান- ০১ দাগ-৮৩৮, মালিক পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশ পক্ষে কালেক্টর রংপুর ও আর এস খতিয়ান -০১,দাগ-১০৩৪, মালিক বাংলাদেশ সরকার পক্ষে কালেক্টর কুড়িগ্রাম, জমি – ১২ (বার) শতাংশ। যেহেতু ওই খতিয়ানভুক্ত জমি সরকারের। কিন্তু অভিযোগকারী তার নিজেদের নামীয় সম্পত্তি বলে দাবি করেন।ওই সরকারি সম্পত্তিতে ১৯৭০ সালের নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি স্থাপন করে স্কুলটি চলমান কার্য্যক্রম পরিচালনা করেন। আস্তে আস্তে পরবর্তী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ওই স্থান সংলগ্ন পশ্চিম দিকে স্কুল ঘর প্রসারিত করা হয় পরবর্তীতে ঐ জায়গায় পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত করা হয় জনগণের সুবিধার্থে স্কুলের নামে পাঠাগার স্থাপন করা হয় ওই জায়গায়। সেহেতু ১ নং খতিয়ানভুক্ত সরকারি সম্পত্তি জনগণ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার না করে এলাকার গরিব মেহনতি মানুষের বাচ্চাদের পড়াশুনা মানষিক বিকাশ এর জন্য সুবিধার্থে পাঠাগার টি স্থাপিত হউক।এতে এলাকার জনেগনের স্কুল গামী বাচ্চারা বাইরে ঘোরাঘুরি না করে পাঠাগারে এসে বইয়ের সাথে সময় কাটিয়ে দেবে এটাই দাবি এলাকা বাসীর।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলা সদর মডেল থানার অভিযানে মাদক সেবনকারী ০৩ জন গ্রেফতার

সরকারী সম্পত্তি নিজের দাবী করে শিক্ষকগণের নামে অভিযোগ যাহা ভুয়া ও ভিত্তিহীন

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৪সেপ্টেম্বর২০২৬ইং

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় আদালত অবমাননা ও বিচারাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অবৈধ স্থাপনা তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয় যে তদন্ত কালিন সময়ে পাঠাগারের নাম বদলে ফেলায় স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টির ব্যাপারে তদন্ত কারী কর্মকর্তা নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত করেন,তদন্ত চরাকালীন সময়ে দেখতে পান যে অভিযুক্ত জায়গায় নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগার এর নামে সাইন বোড সম্মিলিত একটি টিনসেড ঘর রহিয়াছে, যে ঘরে প্রতিনিয়ত অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীগণ অবসর সময়ে বই পড়েন।সরেজমিন তদন্ত করে স্কুল সংলগ্ন এলাকার জনসাধারণকে জিজ্ঞাসা বাদে জানা যায় ও দেখা যায় যে এই বিষয়টি আদৌ কারো কোন অভিযোগ নেই,বাস্তবে নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগার নামে স্থাপিত। তাই তাই তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ কারীর অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করেন

ঘটনার তদন্ত আরো জানা যায় যে, উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়নের হিজলী মৌজায় এসএ খতিয়ান- ০১ দাগ-৮৩৮, মালিক পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশ পক্ষে কালেক্টর রংপুর ও আর এস খতিয়ান -০১,দাগ-১০৩৪, মালিক বাংলাদেশ সরকার পক্ষে কালেক্টর কুড়িগ্রাম, জমি – ১২ (বার) শতাংশ। যেহেতু ওই খতিয়ানভুক্ত জমি সরকারের। কিন্তু অভিযোগকারী তার নিজেদের নামীয় সম্পত্তি বলে দাবি করেন।ওই সরকারি সম্পত্তিতে ১৯৭০ সালের নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি স্থাপন করে স্কুলটি চলমান কার্য্যক্রম পরিচালনা করেন। আস্তে আস্তে পরবর্তী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ওই স্থান সংলগ্ন পশ্চিম দিকে স্কুল ঘর প্রসারিত করা হয় পরবর্তীতে ঐ জায়গায় পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত করা হয় জনগণের সুবিধার্থে স্কুলের নামে পাঠাগার স্থাপন করা হয় ওই জায়গায়। সেহেতু ১ নং খতিয়ানভুক্ত সরকারি সম্পত্তি জনগণ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার না করে এলাকার গরিব মেহনতি মানুষের বাচ্চাদের পড়াশুনা মানষিক বিকাশ এর জন্য সুবিধার্থে পাঠাগার টি স্থাপিত হউক।এতে এলাকার জনেগনের স্কুল গামী বাচ্চারা বাইরে ঘোরাঘুরি না করে পাঠাগারে এসে বইয়ের সাথে সময় কাটিয়ে দেবে এটাই দাবি এলাকা বাসীর।