ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমি বিরোধে দুইজনকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের পানাতিপাড়া এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বাঁশের লাঠির আঘাতে মো. অপিয়ল (৬৫) নামে এক ব্যক্তি মাথা ও ভুরুর ওপর গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ভুরুর ক্ষতস্থানে সাতটি সেলাই দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রবিন্দ্রনাথ সেন কুড়িগ্রাম সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম, কাশেম আলী, রাশেদা বেগম ও শেফালী বেগমের সঙ্গে রবিন্দ্রনাথ সেনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জমিতে বাঁশ রাখা ও গোবরের সলা শুকানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় মো. অপিয়ল বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলে তাঁকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ সময় তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর ভাই মো. হাবিবুর রহমানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অপিয়ল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগকারী রবিন্দ্রনাথ সেনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা তাঁদের জমি, ফসল, পুকুরের মাছ ও গাছপালার ক্ষতি করে আসছেন। প্রতিবাদ করলে মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “হিন্দু হওয়ায় প্রতিবাদ করতে পারি না। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।”
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে অভিযোগে অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম, কাশেম আলী, রাশেদা বেগম ও শেফালী বেগমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ গফরগাঁয়ে জমে উঠেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনী হাওয়ায়

জমি বিরোধে দুইজনকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের পানাতিপাড়া এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বাঁশের লাঠির আঘাতে মো. অপিয়ল (৬৫) নামে এক ব্যক্তি মাথা ও ভুরুর ওপর গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ভুরুর ক্ষতস্থানে সাতটি সেলাই দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রবিন্দ্রনাথ সেন কুড়িগ্রাম সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম, কাশেম আলী, রাশেদা বেগম ও শেফালী বেগমের সঙ্গে রবিন্দ্রনাথ সেনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জমিতে বাঁশ রাখা ও গোবরের সলা শুকানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় মো. অপিয়ল বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলে তাঁকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ সময় তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর ভাই মো. হাবিবুর রহমানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অপিয়ল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগকারী রবিন্দ্রনাথ সেনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা তাঁদের জমি, ফসল, পুকুরের মাছ ও গাছপালার ক্ষতি করে আসছেন। প্রতিবাদ করলে মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “হিন্দু হওয়ায় প্রতিবাদ করতে পারি না। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।”
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে অভিযোগে অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম, কাশেম আলী, রাশেদা বেগম ও শেফালী বেগমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।