ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবীনগরে তিতাস-বুড়ী নদীতে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন, হাজারো ভক্তের ঢল

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে তিতাস-বুড়ী নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার পর থেকে নবীনগর পৌর এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিমা নিয়ে নদীতীরে জড়ো হন ভক্তরা। পরে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে তিতাস-বুড়ী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

এ বছর নবীনগর উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ১৩২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে নবীনগর পৌর এলাকার একাংশের প্রতিমা তিতাস-বুড়ী নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়।

প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে নদীতীর ও আশপাশের সড়কে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র ও গান-বাজনার তালে তালে শোভাযাত্রা নিয়ে হাজারো ভক্ত বিসর্জনস্থলে উপস্থিত হন।

আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে তারা প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নেন।

বিজয়া দশমীর এই আয়োজনে ছিল আনন্দের পাশাপাশি মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর আবেগঘন মুহূর্ত। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ভক্তরা আগামী বছর আবারও মা দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গোনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিসর্জন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে নবীনগরে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে তিতাস-বুড়ী নদীর তীরে তৈরি হয় এক মিলনমেলার আবহ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনা, হতাহত বা প্রাণহানির ঘটনা নেই

নবীনগরে তিতাস-বুড়ী নদীতে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন, হাজারো ভক্তের ঢল

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে তিতাস-বুড়ী নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার পর থেকে নবীনগর পৌর এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিমা নিয়ে নদীতীরে জড়ো হন ভক্তরা। পরে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে তিতাস-বুড়ী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

এ বছর নবীনগর উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ১৩২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে নবীনগর পৌর এলাকার একাংশের প্রতিমা তিতাস-বুড়ী নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়।

প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে নদীতীর ও আশপাশের সড়কে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র ও গান-বাজনার তালে তালে শোভাযাত্রা নিয়ে হাজারো ভক্ত বিসর্জনস্থলে উপস্থিত হন।

আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে তারা প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নেন।

বিজয়া দশমীর এই আয়োজনে ছিল আনন্দের পাশাপাশি মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর আবেগঘন মুহূর্ত। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ভক্তরা আগামী বছর আবারও মা দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গোনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিসর্জন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে নবীনগরে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে তিতাস-বুড়ী নদীর তীরে তৈরি হয় এক মিলনমেলার আবহ।