ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ডিডিএন অফিসে হামলা-ভাঙচুর: সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত ‘চিকনা রাজু’ গ্রেফতার

 

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটের (ডিডিএন) অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত মো. রাজ্জাক ওরফে চিকনা রাজুকে (২৬) গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) চকবাজার থানা-পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১২টা ৫ মিনিটে নগরের চান্দগাঁও থানাধীন সিএমবি টেকবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার রাজ্জাক মামলার তদন্তে পাওয়া আসামিদের একজন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১১ জুলাই ডিডিএনের স্বত্বাধিকারী আদিল বিন মামুনের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল করে চাঁদা দাবি করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা। ফোনে নিজেদের ডেভিড-ইমন পরিচয় দিয়ে তারা এককালীন দুই কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার দাবি জানায়। তবে দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানান প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।

এর দুই দিন পর, ১৩ জুলাই দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চকবাজার থানাধীন ১২১ মনুমিয়াজী লেইন, চন্দনপুরা, বাকলিয়া এক্সেস রোডের মরিয়ম হাইটস ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ডিডিএন কার্যালয়ে হামলা চালায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অফিসের কাচের দরজা, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়। এতে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জুলাই চকবাজার থানায় মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, চকবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাজ্জাককে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুরের ফরাজী বাড়িতে। তিনি চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানাধীন টেকবাজার পুলসংলগ্ন রিয়াদ কলোনিতে বসবাস করতেন।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় রাজ্জাককে দেশীয় অস্ত্র হাতে প্রথমে ডিডিএন কার্যালয়ে প্রবেশ করে কাচের দরজা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে দেখা যায়। পরে তার সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে অফিসের বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রায়পুরে হায়দরগঞ্জ বাজার পলিথিনমুক্ত করতে প্রবাসী কল্যাণ ফোরামের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

চট্টগ্রামে ডিডিএন অফিসে হামলা-ভাঙচুর: সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত ‘চিকনা রাজু’ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০২:১৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

 

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটের (ডিডিএন) অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত মো. রাজ্জাক ওরফে চিকনা রাজুকে (২৬) গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) চকবাজার থানা-পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১২টা ৫ মিনিটে নগরের চান্দগাঁও থানাধীন সিএমবি টেকবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার রাজ্জাক মামলার তদন্তে পাওয়া আসামিদের একজন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১১ জুলাই ডিডিএনের স্বত্বাধিকারী আদিল বিন মামুনের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল করে চাঁদা দাবি করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা। ফোনে নিজেদের ডেভিড-ইমন পরিচয় দিয়ে তারা এককালীন দুই কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার দাবি জানায়। তবে দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানান প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।

এর দুই দিন পর, ১৩ জুলাই দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চকবাজার থানাধীন ১২১ মনুমিয়াজী লেইন, চন্দনপুরা, বাকলিয়া এক্সেস রোডের মরিয়ম হাইটস ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ডিডিএন কার্যালয়ে হামলা চালায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অফিসের কাচের দরজা, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়। এতে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জুলাই চকবাজার থানায় মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, চকবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাজ্জাককে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুরের ফরাজী বাড়িতে। তিনি চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানাধীন টেকবাজার পুলসংলগ্ন রিয়াদ কলোনিতে বসবাস করতেন।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় রাজ্জাককে দেশীয় অস্ত্র হাতে প্রথমে ডিডিএন কার্যালয়ে প্রবেশ করে কাচের দরজা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে দেখা যায়। পরে তার সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে অফিসের বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।