ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানে হঠাৎই হারিয়ে গেল আস্ত একটি দ্বীপ!

  • আপডেট সময় : ১২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮
  • 324

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: দিনে দুপুরে ছোটখাটো জিনিস না হয় চুরি যেতে পারে। কিন্তু আস্ত একটা দ্বীপ! অবিশ্বাস্য। তাও যদি ঝড়ঝঞ্ঝা হল বা সুনামি এল, তাতে সমুদ্রে তলিয়ে যায় দ্বীপ, তবে একটা ব্যাখ্যা থাকে। কিন্তু এমন কিছু নেই। আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার, এমন ক্ষেত্রে দ্বীপ গায়েব হয়ে যাওয়া শুধু অবিশ্বাস্য নয়, অদ্ভুতুড়েও। কিন্তু যাই হোক, এমনই একটা ঘটনা ঘটেছে জাপানে।

সে দেশের মূলভাগে হোক্কাইদো নামে একটি দ্বীপ আছে। উপকূলের সারাফুতসু নামে একটি গ্রাম থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার। দ্বীপটির নাম এসানবে হানাকিতা কোজিমা। কবে যে এটা হারিয়ে গেল, তা কেউ কোনওদিন খেয়ালই করেনি। বিষয়টি প্রথম লক্ষ্য করেন লেখক হিরশি শিমিজু। দ্বীপ নিয়ে একটি বই লিখছিলেন তিনি। তখনই তথ্য জোগাড় করতে গিয়ে দেখেন বেমালুম গায়েব হয়ে গেছে এসানবে হানাকিতা কোজিমা দ্বীপটি। তিনি স্থানীয়দের এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদও করেন। কিন্তু তারাও স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি। তবে বহুদিন থেকেই দ্বীপটি তারা দেখতে পান না। এমনকি কয়েকজন তো এমন সন্দেহও প্রকাশ করেছেন, আদৌ ওই দ্বীপটি কখনও ওখানে ছিল!

তবে এই সন্দেহ একেবারেই ভুল। ওই দ্বীপটা যে কখনই ছিল না, তা নয়। তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। দ্বীপটি সমুদ্রতল থেকে মাত্র ১ দশমিক ৪ মিটার উঁচু ছিল। ১৯৭৫ সাল থেকে এটি ছিল জাপানের অন্তর্গত। জাপান সরকারই এর নাম রেখেছিল। উপকূল থেকে স্পষ্ট দেখা যেত দ্বীপটি।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দ্বীপটি তো আর উধাও হয়ে যেতে পারে না। তার পিছনে অবশ্যই কোনও না কোনও কারণ আছে। খুব সম্ভবত সেটি হতে পারে ঝোড়ো বাতাস বা তুষারপাত। সেই কারণে হয়তো পানির তলায় তলিয়ে গেছে এসানবে হানাকিতা কোজিমা দ্বীপটি। তবে সত্যিই যদি দ্বীপটি তলিয়ে যায়, তাহলে নতুন করে তৈরি করতে হবে জাপানের মানচিত্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়ার প্রথম মাজারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির শ্রদ্ধা

জাপানে হঠাৎই হারিয়ে গেল আস্ত একটি দ্বীপ!

আপডেট সময় : ১২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: দিনে দুপুরে ছোটখাটো জিনিস না হয় চুরি যেতে পারে। কিন্তু আস্ত একটা দ্বীপ! অবিশ্বাস্য। তাও যদি ঝড়ঝঞ্ঝা হল বা সুনামি এল, তাতে সমুদ্রে তলিয়ে যায় দ্বীপ, তবে একটা ব্যাখ্যা থাকে। কিন্তু এমন কিছু নেই। আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার, এমন ক্ষেত্রে দ্বীপ গায়েব হয়ে যাওয়া শুধু অবিশ্বাস্য নয়, অদ্ভুতুড়েও। কিন্তু যাই হোক, এমনই একটা ঘটনা ঘটেছে জাপানে।

সে দেশের মূলভাগে হোক্কাইদো নামে একটি দ্বীপ আছে। উপকূলের সারাফুতসু নামে একটি গ্রাম থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার। দ্বীপটির নাম এসানবে হানাকিতা কোজিমা। কবে যে এটা হারিয়ে গেল, তা কেউ কোনওদিন খেয়ালই করেনি। বিষয়টি প্রথম লক্ষ্য করেন লেখক হিরশি শিমিজু। দ্বীপ নিয়ে একটি বই লিখছিলেন তিনি। তখনই তথ্য জোগাড় করতে গিয়ে দেখেন বেমালুম গায়েব হয়ে গেছে এসানবে হানাকিতা কোজিমা দ্বীপটি। তিনি স্থানীয়দের এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদও করেন। কিন্তু তারাও স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি। তবে বহুদিন থেকেই দ্বীপটি তারা দেখতে পান না। এমনকি কয়েকজন তো এমন সন্দেহও প্রকাশ করেছেন, আদৌ ওই দ্বীপটি কখনও ওখানে ছিল!

তবে এই সন্দেহ একেবারেই ভুল। ওই দ্বীপটা যে কখনই ছিল না, তা নয়। তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। দ্বীপটি সমুদ্রতল থেকে মাত্র ১ দশমিক ৪ মিটার উঁচু ছিল। ১৯৭৫ সাল থেকে এটি ছিল জাপানের অন্তর্গত। জাপান সরকারই এর নাম রেখেছিল। উপকূল থেকে স্পষ্ট দেখা যেত দ্বীপটি।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দ্বীপটি তো আর উধাও হয়ে যেতে পারে না। তার পিছনে অবশ্যই কোনও না কোনও কারণ আছে। খুব সম্ভবত সেটি হতে পারে ঝোড়ো বাতাস বা তুষারপাত। সেই কারণে হয়তো পানির তলায় তলিয়ে গেছে এসানবে হানাকিতা কোজিমা দ্বীপটি। তবে সত্যিই যদি দ্বীপটি তলিয়ে যায়, তাহলে নতুন করে তৈরি করতে হবে জাপানের মানচিত্র।