ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাতের আলোয় বড়শিতে মাছ ধরার ধুম, বায়েজিদের খন্দকার দিঘিতে অন্যরকম এক উৎসব

  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • 6

নিজস্ব প্রতিবেদক
‎চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খন্দকার দিঘিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এক সৌখিন মৎস্য শিকার উৎসব। আব্দুল লতিফ খলিফার বাড়ি সংলগ্ন এই দিঘিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মৎস্য শিকারীদের এক মিলনমেলা বসে।

‎আয়োজক কমিটি জানায়, প্রতিযোগিতাটিকে আকর্ষণীয় করতে দিঘির চারপাশ জুড়ে মাত্র ১০টি বিশেষ সিট (ঘাট) নির্ধারণ করা হয়েছিল। সৌখিন মৎস্য শিকারীদের তুমুল আগ্রহের কারণে প্রতিযোগিতার প্রতিটি টিকিটের মূল্য ধরা হয় ১২ হাজার টাকা। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা বিকেল ৫টা থেকে শুরু করে আগামীকাল ৫ টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা বড়শি দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ পাচ্ছেন ।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, উৎসবকে কেন্দ্র করে দিঘির পাড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় উৎসুক জনতাও ভিড় জমান বড়শিতে ধরা পড়া বড় বড় রুই, কাতল আর মৃগেল মাছ দেখতে। আধুনিক সব মৎস্য শিকার সরঞ্জাম ও বাহারি চার নিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষায় বসেন শিকারীরা।

‎আয়োজকদের একজন বলেন, “শহরাঞ্চলে এখন জলাশয় বা দিঘির সংখ্যা কমে আসছে। সৌখিন মৎস্য শিকারীদের একটু আনন্দ দিতে এবং স্থানীয় ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। টিকিটের মূল্য বেশি মনে হলেও শিকারীদের ব্যাপক সাড়া আমাদের উৎসাহিত করেছে।”

‎প্রতিযোগিতা শেষে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকারীদের মাঝে বিশেষ পুরস্কার বিতরণ করা হবে। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে এমন চমৎকার আয়োজনে অংশ নিতে পেরে উন্মুখ হয়ে থাকেন চট্টগ্রামের বড়শি প্রেমীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়ার প্রথম মাজারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির শ্রদ্ধা

রাতের আলোয় বড়শিতে মাছ ধরার ধুম, বায়েজিদের খন্দকার দিঘিতে অন্যরকম এক উৎসব

আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
‎চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খন্দকার দিঘিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এক সৌখিন মৎস্য শিকার উৎসব। আব্দুল লতিফ খলিফার বাড়ি সংলগ্ন এই দিঘিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মৎস্য শিকারীদের এক মিলনমেলা বসে।

‎আয়োজক কমিটি জানায়, প্রতিযোগিতাটিকে আকর্ষণীয় করতে দিঘির চারপাশ জুড়ে মাত্র ১০টি বিশেষ সিট (ঘাট) নির্ধারণ করা হয়েছিল। সৌখিন মৎস্য শিকারীদের তুমুল আগ্রহের কারণে প্রতিযোগিতার প্রতিটি টিকিটের মূল্য ধরা হয় ১২ হাজার টাকা। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা বিকেল ৫টা থেকে শুরু করে আগামীকাল ৫ টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা বড়শি দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ পাচ্ছেন ।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, উৎসবকে কেন্দ্র করে দিঘির পাড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় উৎসুক জনতাও ভিড় জমান বড়শিতে ধরা পড়া বড় বড় রুই, কাতল আর মৃগেল মাছ দেখতে। আধুনিক সব মৎস্য শিকার সরঞ্জাম ও বাহারি চার নিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষায় বসেন শিকারীরা।

‎আয়োজকদের একজন বলেন, “শহরাঞ্চলে এখন জলাশয় বা দিঘির সংখ্যা কমে আসছে। সৌখিন মৎস্য শিকারীদের একটু আনন্দ দিতে এবং স্থানীয় ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। টিকিটের মূল্য বেশি মনে হলেও শিকারীদের ব্যাপক সাড়া আমাদের উৎসাহিত করেছে।”

‎প্রতিযোগিতা শেষে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকারীদের মাঝে বিশেষ পুরস্কার বিতরণ করা হবে। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে এমন চমৎকার আয়োজনে অংশ নিতে পেরে উন্মুখ হয়ে থাকেন চট্টগ্রামের বড়শি প্রেমীরা।