ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজারহাটে আরআরএমইপি প্রকল্পে নারী কর্মী নিয়োগ শুরু, লটারিতে স্বচ্ছতার উদ্যোগ

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান’ (RRMEP) প্রকল্পের আওতায় নারী কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার ৩ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগ্রহী নারীরা এতে অংশ নেন। প্রকল্পের মেয়াদকাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

নিয়োগ কমিটি জানায়, রাজারহাট উপজেলার সব ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং তাঁর বাড়ি নির্বাচিত সড়কের দুই কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে।

কমিটির সদস্যরা জানান, পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় বিগত এলসিএস কার্যক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা এ প্রকল্পে আবেদনের যোগ্য হবেন না। আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্যদের লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রাপ্ত নারী কর্মীরা কাজের বিনিময়ে দৈনিক ৩০০ টাকা হারে মজুরি পাবেন। এর মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ১০০ টাকা তাঁদের সঞ্চয়ী হিসাবে ব্যাংকে জমা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে প্রত্যেক কর্মীকে তাঁর জমাকৃত সঞ্চয়ের অর্থ প্রদান করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. এজাহারুল জানান, যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও ৩ নম্বর ইউনিয়নের প্রশাসক এটিএম রিয়াসাদ রনি জানান, ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বিধবা নারী এবং যেসব নারীর স্বামী প্রতিবন্ধী, তাঁদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বেপারী, ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ এবং যোগ্যতাসম্পন্ন আগ্রহী প্রার্থীরা।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বেপারী বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ প্রকল্প বিধবা ও অসচ্ছল নারীদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন ছাড়াই লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ১০ দিনেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ, কার্পেটিংয়ে অনিয়মের অভিযোগ

রাজারহাটে আরআরএমইপি প্রকল্পে নারী কর্মী নিয়োগ শুরু, লটারিতে স্বচ্ছতার উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৫:২২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ‘পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান’ (RRMEP) প্রকল্পের আওতায় নারী কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার ৩ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগ্রহী নারীরা এতে অংশ নেন। প্রকল্পের মেয়াদকাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

নিয়োগ কমিটি জানায়, রাজারহাট উপজেলার সব ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং তাঁর বাড়ি নির্বাচিত সড়কের দুই কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে।

কমিটির সদস্যরা জানান, পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় বিগত এলসিএস কার্যক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা এ প্রকল্পে আবেদনের যোগ্য হবেন না। আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্যদের লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রাপ্ত নারী কর্মীরা কাজের বিনিময়ে দৈনিক ৩০০ টাকা হারে মজুরি পাবেন। এর মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ১০০ টাকা তাঁদের সঞ্চয়ী হিসাবে ব্যাংকে জমা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে প্রত্যেক কর্মীকে তাঁর জমাকৃত সঞ্চয়ের অর্থ প্রদান করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. এজাহারুল জানান, যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও ৩ নম্বর ইউনিয়নের প্রশাসক এটিএম রিয়াসাদ রনি জানান, ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বিধবা নারী এবং যেসব নারীর স্বামী প্রতিবন্ধী, তাঁদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বেপারী, ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ এবং যোগ্যতাসম্পন্ন আগ্রহী প্রার্থীরা।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বেপারী বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ প্রকল্প বিধবা ও অসচ্ছল নারীদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন ছাড়াই লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।