লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা একটি অবৈধ সিমেন্টের পিলার নির্মাণ কারখানা ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় পুনরায় চালু করার অভিযোগ উঠেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং কারখানা বন্ধের কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও তোয়াক্কা না করেই আবার কাজ শুরু করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিকট শব্দ এবং ধূলিকণার দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় অনুমোদনহীনভাবে এই পিলার নির্মাণ কারখানাটি গড়ে তোলা হয়। দিন-রাত মেশিনের উচ্চ শব্দ, পাথর ও সিমেন্টের ধুলাবালির কারণে প্রতিবেশী পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। প্রবীণ ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন।
বাসিন্দাদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান চালায়। আদালত কারখানা মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ দেন এবং আবাসিক এলাকায় সব ধরনের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন।
তবে আদালত চলে যাওয়ার পর মাত্র পাঁচ দিন পার হতেই কারখানাটি গোপনে আবারও চালু করা হয়। বর্তমানে আগের মতোই দিন-রাত দেদারসে চলছে উৎপাদন কার্যক্রম।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞার পর আমাদের ভোগান্তি শেষ হবে। কিন্তু মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় আইন অমান্য করে কারখানাটি আবার চালু করা হলো। ধুলো আর বিকট শব্দে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে।”
প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবাসিক এলাকায় পরিবেশ বিনষ্টকারী এই কারখানা পুনরায় চালুর বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও স্থায়ীভাবে কারখানাটি অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
মোঃ হাসান লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি 



















