ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৮০ দিনের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা: স্বৈরাচার-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে জাতীয়তাবাদী সরকারের ঐতিহাসিক সাফল্য

  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • 18

রাসেল চৌধুরী

‎দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসন, সীমাহীন লুটপাট এবং প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্ণ হলো আজ。 গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশনায়ক তারিক রহমানের দিকনির্দেশনায় এবং জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে এই সরকার。 বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অচল রাষ্ট্রযন্ত্র এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থবিরতা কাটিয়ে মাত্র ১৮০ দিনে দেশকে একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড়কাতে সক্ষম হয়েছে বর্তমান প্রশাসন。 আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় সরকারের এই ঐতিহাসিক অর্জনসমূহ এবং আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে。

‎বিগত ছয় মাসে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপি সরকারের প্রধান প্রধান যুগান্তকারী সাফল্য নিচে তুলে ধরা হলো:

‎ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও কূটনৈতিক দিগন্তের উন্মোচন

‎বিগত সরকারের মেগা-লুটপাটের কারণে দেউলিয়া হওয়া অর্থনীতিকে সচল করতে বর্তমান সরকার শুরুতেই ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’তে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে:

রেকর্ড বৈদেশিক বিনিয়োগ: গত জুন মাসে সফল কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীনের সাথে ১৭টি ঐতিহাসিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে。 এর ফলে চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক বিনিয়োগের বিশাল প্রস্তাব দিয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় অর্জন。

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনর্বহাল: জাতীয় স্বার্থ ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকারকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে সফল আলোচনার মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে。 এর ফলে স্থবির হয়ে পড়া রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন জোয়ার এসেছে。

‎আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ

‎ফ্যাসিবাদী আমলে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা ভেঙে জনগণের মনে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে এনেছে বর্তমান সরকার:

রেকর্ড সময়ে রায়: নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচিত ‘রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা’র রায় মাত্র ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের একটি শিশু ধর্ষণ মামলার রায় রেকর্ড ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়েছে。

বিদেশে পলাতক অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ: বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুণ্ঠন করে যারা বিদেশে পালিয়ে গেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে。

সংসদীয় গতিশীলতা: জাতীয় সংসদের প্রথম ৫২ কার্যদিবসে রেকর্ড ১০৫টি জনকল্যাণমুখী বিল পাস হয়েছে, যা জবাবদিহিমূলক সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির。

‎সামাজিক নিরাপত্তা ও তৃণমূলের অধিকার রক্ষা

‎সাধারণ মানুষ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি সরকার আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে:


ফ্যামিলি ও ফার্মার কার্ড: দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ৬৭,২৭৮টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে。 ২০২৭ সালের মধ্যে ৪১ লাখ নারীকে এর আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে。 পাশাপাশি ৪৩ লাখ কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর চূড়ান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে。

वीर মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন ও স্বাস্থ্যসেবা: দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে তাদের সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে。 তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৫ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে。

‎রাজনৈতিক সততার এক অনন্য নজির ও আগামী দিনের প্রত্যয়

‎বর্তমান সরকারের এই ছয় মাস পূর্তির সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে দল ও সরকারের ভিন্ন সত্তা বজায় রাখার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে。 বিএনপি হাইকমান্ডের নির্দেশনায় নৈতিক ও সাংগঠনিক কারণে দলের মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের মতো যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সততা ও জবাবদিহিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে。 এই গৌরবোজ্জ্বল পূর্তি উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ দেশজুড়ে জাতীয়তাবাদী যুবদলসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালন করছে。


‎বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী জঞ্জাল মাত্র ছয় মাসে পুরোপুরি পরিষ্কার করা অসম্ভব হলেও, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে বিএনপি সরকার প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ সফলভাবে অর্জন করেছে。 বিদ্যুৎ সংকট ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির কারণে সৃষ্ট বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং অতি দ্রুতই দেশবাসী এর সুফল পাবে。 এই ১৮০ দিনের পথচলা প্রমাণ করে—বিএনপি কেবল প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাস্তবে কাজ করে দেখায়。

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়ার প্রথম মাজারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির শ্রদ্ধা

১৮০ দিনের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা: স্বৈরাচার-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে জাতীয়তাবাদী সরকারের ঐতিহাসিক সাফল্য

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

রাসেল চৌধুরী

‎দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসন, সীমাহীন লুটপাট এবং প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্ণ হলো আজ。 গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশনায়ক তারিক রহমানের দিকনির্দেশনায় এবং জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে এই সরকার。 বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অচল রাষ্ট্রযন্ত্র এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থবিরতা কাটিয়ে মাত্র ১৮০ দিনে দেশকে একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড়কাতে সক্ষম হয়েছে বর্তমান প্রশাসন。 আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় সরকারের এই ঐতিহাসিক অর্জনসমূহ এবং আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে。

‎বিগত ছয় মাসে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপি সরকারের প্রধান প্রধান যুগান্তকারী সাফল্য নিচে তুলে ধরা হলো:

‎ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও কূটনৈতিক দিগন্তের উন্মোচন

‎বিগত সরকারের মেগা-লুটপাটের কারণে দেউলিয়া হওয়া অর্থনীতিকে সচল করতে বর্তমান সরকার শুরুতেই ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’তে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে:

রেকর্ড বৈদেশিক বিনিয়োগ: গত জুন মাসে সফল কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীনের সাথে ১৭টি ঐতিহাসিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে。 এর ফলে চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক বিনিয়োগের বিশাল প্রস্তাব দিয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় অর্জন。

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনর্বহাল: জাতীয় স্বার্থ ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকারকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে সফল আলোচনার মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে。 এর ফলে স্থবির হয়ে পড়া রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন জোয়ার এসেছে。

‎আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ

‎ফ্যাসিবাদী আমলে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা ভেঙে জনগণের মনে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে এনেছে বর্তমান সরকার:

রেকর্ড সময়ে রায়: নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচিত ‘রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা’র রায় মাত্র ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের একটি শিশু ধর্ষণ মামলার রায় রেকর্ড ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়েছে。

বিদেশে পলাতক অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ: বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুণ্ঠন করে যারা বিদেশে পালিয়ে গেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে。

সংসদীয় গতিশীলতা: জাতীয় সংসদের প্রথম ৫২ কার্যদিবসে রেকর্ড ১০৫টি জনকল্যাণমুখী বিল পাস হয়েছে, যা জবাবদিহিমূলক সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির。

‎সামাজিক নিরাপত্তা ও তৃণমূলের অধিকার রক্ষা

‎সাধারণ মানুষ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি সরকার আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে:


ফ্যামিলি ও ফার্মার কার্ড: দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ৬৭,২৭৮টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে。 ২০২৭ সালের মধ্যে ৪১ লাখ নারীকে এর আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে。 পাশাপাশি ৪৩ লাখ কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর চূড়ান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে。

वीर মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন ও স্বাস্থ্যসেবা: দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে তাদের সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে。 তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৫ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে。

‎রাজনৈতিক সততার এক অনন্য নজির ও আগামী দিনের প্রত্যয়

‎বর্তমান সরকারের এই ছয় মাস পূর্তির সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে দল ও সরকারের ভিন্ন সত্তা বজায় রাখার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে。 বিএনপি হাইকমান্ডের নির্দেশনায় নৈতিক ও সাংগঠনিক কারণে দলের মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের মতো যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সততা ও জবাবদিহিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে。 এই গৌরবোজ্জ্বল পূর্তি উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ দেশজুড়ে জাতীয়তাবাদী যুবদলসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালন করছে。


‎বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী জঞ্জাল মাত্র ছয় মাসে পুরোপুরি পরিষ্কার করা অসম্ভব হলেও, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে বিএনপি সরকার প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ সফলভাবে অর্জন করেছে。 বিদ্যুৎ সংকট ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির কারণে সৃষ্ট বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং অতি দ্রুতই দেশবাসী এর সুফল পাবে。 এই ১৮০ দিনের পথচলা প্রমাণ করে—বিএনপি কেবল প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাস্তবে কাজ করে দেখায়。