ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়ায় জমি কিনেও দখল নিতে বাধার অভিযোগ রবিউল ইসলামের

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১৫ নম্বর লালানগর ইউনিয়নে ক্রয়কৃত জমির দখল গ্রহণে বাধা, হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত প্রতিকার চেয়েছেন মোঃ রবিউল ইসলাম।
নিজের অভিযোগে রবিউল ইসলাম জানান, তিনি মরহুম বাদশা মিয়ার স্ত্রী রুবি আক্তার, তাঁর ছেলে আলী আকবর এবং তাঁর মেয়ের কন্যা তারা বেগমের কাছ থেকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জমি ক্রয় করেন। জমি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র, অনলাইন নথি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সার্ভেয়ার ও আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে এবং জমির সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পর ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেন বলে তিনি দাবি করেন।
রবিউল ইসলামের অভিযোগ, ক্রয়কৃত জমির দখল নিতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে বিভিন্নভাবে বাধা দেন। এ ছাড়া অন্য লোকজনকে উসকানি দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এতে তিনি আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং তাঁর সামাজিক মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরতে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে তাঁর অভিযোগ। এতে বিরোধ আরও জটিল হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনায় মোঃ রবিউল ইসলাম ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও আনুমানিক ১০–১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর উল্লেখ করা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ ফরিদ, মোঃ আবুল আসেম, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মোঃ মাসুম, মোঃ শাহ আলম, আমাতুন নূর, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ হারুন, শহীদুল্লাহ, মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মোঃ সাগর, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ আকিব। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রবিউল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, বিরোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঠিকানা লালানগর ইউনিয়নের ভাংগাজীর বাড়ি ও ফকিরপাড়া এলাকায়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অভিযোগের স্বাধীন যাচাই ছাড়া কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।
রবিউল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, জমির দখল গ্রহণে কোনো বেআইনি বাধা বা হুমকির সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটি কাউখালী উপজেলায় দুই ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত

রাঙ্গুনিয়ায় জমি কিনেও দখল নিতে বাধার অভিযোগ রবিউল ইসলামের

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১৫ নম্বর লালানগর ইউনিয়নে ক্রয়কৃত জমির দখল গ্রহণে বাধা, হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত প্রতিকার চেয়েছেন মোঃ রবিউল ইসলাম।
নিজের অভিযোগে রবিউল ইসলাম জানান, তিনি মরহুম বাদশা মিয়ার স্ত্রী রুবি আক্তার, তাঁর ছেলে আলী আকবর এবং তাঁর মেয়ের কন্যা তারা বেগমের কাছ থেকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জমি ক্রয় করেন। জমি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র, অনলাইন নথি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সার্ভেয়ার ও আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে এবং জমির সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পর ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেন বলে তিনি দাবি করেন।
রবিউল ইসলামের অভিযোগ, ক্রয়কৃত জমির দখল নিতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে বিভিন্নভাবে বাধা দেন। এ ছাড়া অন্য লোকজনকে উসকানি দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এতে তিনি আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং তাঁর সামাজিক মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরতে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে তাঁর অভিযোগ। এতে বিরোধ আরও জটিল হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনায় মোঃ রবিউল ইসলাম ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও আনুমানিক ১০–১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর উল্লেখ করা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ ফরিদ, মোঃ আবুল আসেম, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মোঃ মাসুম, মোঃ শাহ আলম, আমাতুন নূর, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ হারুন, শহীদুল্লাহ, মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মোঃ সাগর, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ আকিব। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রবিউল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, বিরোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঠিকানা লালানগর ইউনিয়নের ভাংগাজীর বাড়ি ও ফকিরপাড়া এলাকায়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অভিযোগের স্বাধীন যাচাই ছাড়া কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।
রবিউল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, জমির দখল গ্রহণে কোনো বেআইনি বাধা বা হুমকির সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।