ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাহুবলে অপরাধের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

মাদক-জুয়া ও বালু পাচারের অভিযোগ, চোরাচালানের ট্রানজিট রুট নিয়ে প্রশ্ন—ঝুঁকিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা

: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় মাদক, জুয়া, চুরি-গরু চুরি, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। একই সঙ্গে উপজেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চোরাচালানের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরি-ডাকাতির প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও কল্যাণ যুব সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কর্মসূচি থেকে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, মাদক ও জুয়া বন্ধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সহজলভ্য হয়ে উঠেছে মাদক। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার কিছু স্পটে সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত মাদক বেচাকেনা ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। এতে কিশোর ও তরুণদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, মাদক নিয়ন্ত্রণে বিচ্ছিন্নভাবে অভিযান পরিচালিত হলেও এর মূল উৎস ও সরবরাহ চেইন শনাক্ত করে স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হচ্ছে না।
মাদকের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় রাতের আঁধারে জুয়ার আসর বসার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু স্পটে নিয়মিত এসব আসর বসে। কোথাও কোথাও জুয়ার আসর পরিচালনাকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চুরি ও গরু চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। রাতের আঁধারে কৃষকের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলেও চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার কিংবা চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে না পারায় অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
বাহুবলের হরিতলা এলাকায় সরকারি মহাল থেকে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, এক্সকাভেটর দিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করে ভারী যানবাহনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও স্থানীয় সড়ক অবকাঠামোর ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
বিভিন্ন সময়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান হলেও স্থানীয়দের প্রশ্ন, স্থায়ীভাবে এ কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর নজরদারি কেন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
অন্যদিকে বাহুবলের কয়েকটি আঞ্চলিক সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ চোরাচালানের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। তবে কী ধরনের পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কোন পথে এসব পণ্য যাচ্ছে—এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে। সচেতন মহলের মতে, গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সন্দেহজনক যানবাহন চলাচলের ওপর নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অপরাধ ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হওয়া শঙ্কা। কয়েকজন সাংবাদিকের অভিযোগ, অপরাধ বা বালু পাচারসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য জানতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করার পর অল্প সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের পরিচয় ও তথ্য অভিযুক্তদের কাছে পৌঁছে যায়। এমন অভিযোগ সত্য হলে তা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ সাংবাদিক ও তথ্যদাতার পরিচয় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রকাশ হয়ে গেলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারেন এবং ভবিষ্যতে কেউ অপরাধের তথ্য দিতে আগ্রহ হারাতে পারেন।
তবে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ অবস্থায় বাহুবলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও নিয়মিত অভিযান, চুরি-গরু চুরির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, সরকারি মহাল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিক বা তথ্যদাতার পরিচয় কীভাবে অপরাধীদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে—এমন অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এসব বিষয়কে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে সমন্বিতভাবে তদন্ত করে অপরাধের উৎস, অর্থের প্রবাহ ও সংশ্লিষ্ট চক্র শনাক্ত করা হবে। এ ক্ষেত্রে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপই পারে বাহুবলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগ কমাতে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বাহুবলে অপরাধের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৯:১৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

মাদক-জুয়া ও বালু পাচারের অভিযোগ, চোরাচালানের ট্রানজিট রুট নিয়ে প্রশ্ন—ঝুঁকিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা

: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় মাদক, জুয়া, চুরি-গরু চুরি, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। একই সঙ্গে উপজেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চোরাচালানের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরি-ডাকাতির প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও কল্যাণ যুব সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কর্মসূচি থেকে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, মাদক ও জুয়া বন্ধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সহজলভ্য হয়ে উঠেছে মাদক। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার কিছু স্পটে সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত মাদক বেচাকেনা ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। এতে কিশোর ও তরুণদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, মাদক নিয়ন্ত্রণে বিচ্ছিন্নভাবে অভিযান পরিচালিত হলেও এর মূল উৎস ও সরবরাহ চেইন শনাক্ত করে স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হচ্ছে না।
মাদকের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় রাতের আঁধারে জুয়ার আসর বসার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু স্পটে নিয়মিত এসব আসর বসে। কোথাও কোথাও জুয়ার আসর পরিচালনাকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চুরি ও গরু চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। রাতের আঁধারে কৃষকের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলেও চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার কিংবা চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে না পারায় অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
বাহুবলের হরিতলা এলাকায় সরকারি মহাল থেকে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, এক্সকাভেটর দিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করে ভারী যানবাহনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও স্থানীয় সড়ক অবকাঠামোর ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
বিভিন্ন সময়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান হলেও স্থানীয়দের প্রশ্ন, স্থায়ীভাবে এ কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর নজরদারি কেন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
অন্যদিকে বাহুবলের কয়েকটি আঞ্চলিক সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ চোরাচালানের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। তবে কী ধরনের পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কোন পথে এসব পণ্য যাচ্ছে—এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে। সচেতন মহলের মতে, গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সন্দেহজনক যানবাহন চলাচলের ওপর নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অপরাধ ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হওয়া শঙ্কা। কয়েকজন সাংবাদিকের অভিযোগ, অপরাধ বা বালু পাচারসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য জানতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করার পর অল্প সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের পরিচয় ও তথ্য অভিযুক্তদের কাছে পৌঁছে যায়। এমন অভিযোগ সত্য হলে তা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ সাংবাদিক ও তথ্যদাতার পরিচয় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রকাশ হয়ে গেলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারেন এবং ভবিষ্যতে কেউ অপরাধের তথ্য দিতে আগ্রহ হারাতে পারেন।
তবে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ অবস্থায় বাহুবলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও নিয়মিত অভিযান, চুরি-গরু চুরির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, সরকারি মহাল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিক বা তথ্যদাতার পরিচয় কীভাবে অপরাধীদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে—এমন অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এসব বিষয়কে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে সমন্বিতভাবে তদন্ত করে অপরাধের উৎস, অর্থের প্রবাহ ও সংশ্লিষ্ট চক্র শনাক্ত করা হবে। এ ক্ষেত্রে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপই পারে বাহুবলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগ কমাতে।