দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি মেধার লড়াইয়ে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট সোসাইটি (ডিইউএমসিএস)। পাশাপাশি অসাধারণ আইনি যুক্তি ও বাকপটুতার স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেস্ট ওরালিস্ট’ (সেরা মৌখিক বক্তা) সম্মাননা অর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ও সৈয়দপুরের গর্ব ফারিয়া মেহজাবিন মেধা।
সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় চার দিনব্যাপী ‘ইউএমএসএআইএলএস-ইউএপি ইন্টার ইউনিভার্সিটি মুট কোর্ট কম্পিটিশন ২০২৬’। দেশে ২৪টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকারীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদালয় দল।
গত ৭ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। চারদিনব্যাপী এই ইভেন্টটি যৌথভাবে আয়োজন করে ইউএপির আইন ও মানবাধিকার বিভাগ এবং ইউনেসকো মদনজিৎ সিং সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস স্টাডিজ (ইউএমএসএআইএলএস)।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা আদালতের বাস্তব পরিবেশে আইনি যুক্তি উপস্থাপন, বিচারিক প্রশ্নের তাৎক্ষণিক জবাব, প্রাসঙ্গিক আইন ও নজিরের সুনির্দিষ্ট প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের মেধা প্রদর্শন করেন। সব বাধা পেরিয়ে বিচারকদের চূড়ান্ত রায়ে ট্রফি নিজেদের করে নেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চ্যাম্পিয়ন দলের অন্য দুই সদস্য হলেন— জান্নাতুল মাওয়া সুচি ও মুমতাহিনা মোশাররফ মৌমিতা।
দলীয় এই সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে নজর কাড়েন সৈয়দপুরের মেয়ে ফারিয়া মেহজাবিন মেধা। তিনি সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের সাবেক ছাত্রী। তার বাবা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জুনিয়র কর্মকর্তা ফজলুল হক এবং মা গোলাহাট রেলওয়ে কলোনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোকেয়া খানম। মা-বাবার প্রথম কন্যা মেধা ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত চৌকস ও মেধাবী হিসেবে পরিচিত।
মেধার এই আন্তর্জাতিক মানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার পরিবার ও এলাকাবাসী। স্থানীয় গুণীজন ও স্বজনেরা তার জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, মেধার এই অর্জন সৈয়দপুর তথা পুরো দেশের আইন অঙ্গনের জন্য এক বিরাট গর্বের বিষয়। তারা মেধার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন।
জেলা প্রতিনিধি নীলফামারি : মো: শমসের উদ্দিন মিস্টার, 



















