ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগেশ্বরীতে খানাখন্দে ভরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ওয়াপদা বাজার সড়ক প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড থেকে বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার সড়ক যেনো এখন মরণফাঁদ। পুরো সড়কজুরেই বড়বড় গর্ত আর খানাখন্দে ভরপুর। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ধুলোবালিতে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন পথচারীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কটির এমন বেহাল অবস্থায় থাকলেও সংস্কারের উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। স্থানীয়রা জানান এই সড়কে প্রতিনিয়ত চাকুরিজীবি, স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজারও মানুষ চলাচল করেন। বহুবছর আগে সংস্কার হলেও আবারও ভগ্নদশা সড়কটির। বর্ষা মৌসুমে এ সড়কে চলাচল করা একেবারেই অনুপযোগী।
স্থানীয়রা আরও জানান, এই সড়কে প্রতিনিয়িত নিবন্ধনহীন ইটভাটার ট্রাক ও ট্রাক্টরের অবাধ চলাচলে এমন অবস্থা হয়েছে। ফলে রিকশা, ভ্যান, অটো রিকশা, মিশুক, জিএস, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহনগুলোও চলাচল করতে পারে না। সড়কের অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্ত থাকায় অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন যান চালক ও যাত্রীরা। এমনকী স্কুল কলেজ ও মাদরাসা পড়–য়া শিক্ষার্থীরাও সময়মতো তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছতে পারে না। অপরদিকে কোনো জরুরি রোগিকে নিয়ে হাসপাতালে নিতে গেলেও ঘটে দুর্ঘটনা। ওয়াপদাবাজার এলাকার নাজমুল ইসলাম, বুলু মিয়া, আলতাফ হোসেনসহ আরও অনেকে জানান, সড়কগুলো ভগ্নদশা হওয়ায় চলাচলকারীরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েন। ধুলোবালির কারণে পরিস্কার জামাকাপর পরে অফিস কিংবা জরুরি প্রয়োজনে কোথাও বের হলে পোশাক পরিস্কার থাকে না। পুরো শরির যেনো ভূতের মতো হয়ে যায়। এতে করে অনেকের স্বর্দি, কাশি, হাঁপানীসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এছাড়াও অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন যাত্রী ও পথচারীরা। শফিকুল ইসলাম নামে একজন ব্যবসায়ী জনান সোমবার ও বৃহস্পতিবার নাগেশ্বরী হাট বসায় এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। ব্যবসাযী থেকে শুরু করে কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ তাদের কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হাটে কেনাবেচা করতে নিয়ে যায়। সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় তারা সময়মতো তাদের উৎপাদিত পন্য হাটে তুলতে না পেরে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হন তারা। অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
উপজেলা প্রকৌশলী এম.এ. ওয়াহেদ বলেন, সড়কটি সংস্কারে ইতোমধ্যে আমফান প্রকল্প থেকে টেন্ডার করা হয়ে গেছে এবং ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে। ঠিকাদারকে আমরা চিঠি দিয়েছি অতিসত্বর কাজ শুরু করে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করবেন ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ধামইরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মেয়র পদপ্রার্থী আনারুল ইসলাম

নাগেশ্বরীতে খানাখন্দে ভরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ওয়াপদা বাজার সড়ক প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা

আপডেট সময় : ০৭:৫১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড থেকে বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার সড়ক যেনো এখন মরণফাঁদ। পুরো সড়কজুরেই বড়বড় গর্ত আর খানাখন্দে ভরপুর। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ধুলোবালিতে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন পথচারীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কটির এমন বেহাল অবস্থায় থাকলেও সংস্কারের উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। স্থানীয়রা জানান এই সড়কে প্রতিনিয়ত চাকুরিজীবি, স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজারও মানুষ চলাচল করেন। বহুবছর আগে সংস্কার হলেও আবারও ভগ্নদশা সড়কটির। বর্ষা মৌসুমে এ সড়কে চলাচল করা একেবারেই অনুপযোগী।
স্থানীয়রা আরও জানান, এই সড়কে প্রতিনিয়িত নিবন্ধনহীন ইটভাটার ট্রাক ও ট্রাক্টরের অবাধ চলাচলে এমন অবস্থা হয়েছে। ফলে রিকশা, ভ্যান, অটো রিকশা, মিশুক, জিএস, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহনগুলোও চলাচল করতে পারে না। সড়কের অধিকাংশ জায়গায় বড় বড় গর্ত থাকায় অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন যান চালক ও যাত্রীরা। এমনকী স্কুল কলেজ ও মাদরাসা পড়–য়া শিক্ষার্থীরাও সময়মতো তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছতে পারে না। অপরদিকে কোনো জরুরি রোগিকে নিয়ে হাসপাতালে নিতে গেলেও ঘটে দুর্ঘটনা। ওয়াপদাবাজার এলাকার নাজমুল ইসলাম, বুলু মিয়া, আলতাফ হোসেনসহ আরও অনেকে জানান, সড়কগুলো ভগ্নদশা হওয়ায় চলাচলকারীরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েন। ধুলোবালির কারণে পরিস্কার জামাকাপর পরে অফিস কিংবা জরুরি প্রয়োজনে কোথাও বের হলে পোশাক পরিস্কার থাকে না। পুরো শরির যেনো ভূতের মতো হয়ে যায়। এতে করে অনেকের স্বর্দি, কাশি, হাঁপানীসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এছাড়াও অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন যাত্রী ও পথচারীরা। শফিকুল ইসলাম নামে একজন ব্যবসায়ী জনান সোমবার ও বৃহস্পতিবার নাগেশ্বরী হাট বসায় এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। ব্যবসাযী থেকে শুরু করে কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ তাদের কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হাটে কেনাবেচা করতে নিয়ে যায়। সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় তারা সময়মতো তাদের উৎপাদিত পন্য হাটে তুলতে না পেরে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হন তারা। অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
উপজেলা প্রকৌশলী এম.এ. ওয়াহেদ বলেন, সড়কটি সংস্কারে ইতোমধ্যে আমফান প্রকল্প থেকে টেন্ডার করা হয়ে গেছে এবং ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে। ঠিকাদারকে আমরা চিঠি দিয়েছি অতিসত্বর কাজ শুরু করে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করবেন ইনশাআল্লাহ।