ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩: নেপথ্যে ওষুধ পাচারের চেষ্টা

কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এক বিশেষ অভিযানে আনুমানিক এক কোটি টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন মিয়ানমারের নাগরিক। অভিযানে মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে জমিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকারের ওষুধও জব্দ করা হয়।
​রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে টেকনাফ থানার নাইট্যংপাড়া এলাকায় এই সফল অভিযান চালানো হয়।
​কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি চৌকস দল নাইট্যংপাড়ার এক সন্দেহজনক বসতবাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে ইয়াবা ও পাচারযোগ্য ওষুধ উদ্ধারসহ দুই মিয়ানমার নাগরিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের মূল হোতা ও বাংলাদেশি বাড়িওয়ালাকে আটক করা হয়।
​অভিযানের মূল তথ্য এক নজরে:
​উদ্ধারকৃত আলামত: ২০,০০০ পিস ইয়াবা (আনুমানিক মূল্য ১ কোটি টাকা) এবং মিয়ানমারে পাচারের জন্য মজুত করা বিভিন্ন প্রকার ওষুধ।
​আটককৃতদের পরিচয়: ২ জন মিয়ানমার নাগরিক ও ১ জন বাংলাদেশি (বাড়ির মালিক)।
​অনুপ্রবেশের মাধ্যম: আটক মিয়ানমার নাগরিকরা নাফ নদী সাঁতরে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
​চক্রের কৌশল: ইয়াবা বাংলাদেশে এনে বিক্রির পাশাপাশি প্রতিদানে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধ মিয়ানমারে পাচার করাই ছিল এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য।
​কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে যে তারা সীমান্ত পেরিয়ে এসে ওই বাংলাদেশি বাড়িওয়ালার আশ্রয়ে অবস্থান করছিল।
​সীমান্তবর্তী টেকনাফ এলাকায় মাদক বিস্তার রোধ ও সীমান্ত চোরাচালান বন্ধে কোস্ট গার্ডের এমন জিরো টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে পরিবেশ দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩: নেপথ্যে ওষুধ পাচারের চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এক বিশেষ অভিযানে আনুমানিক এক কোটি টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন মিয়ানমারের নাগরিক। অভিযানে মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে জমিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকারের ওষুধও জব্দ করা হয়।
​রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে টেকনাফ থানার নাইট্যংপাড়া এলাকায় এই সফল অভিযান চালানো হয়।
​কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি চৌকস দল নাইট্যংপাড়ার এক সন্দেহজনক বসতবাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে ইয়াবা ও পাচারযোগ্য ওষুধ উদ্ধারসহ দুই মিয়ানমার নাগরিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের মূল হোতা ও বাংলাদেশি বাড়িওয়ালাকে আটক করা হয়।
​অভিযানের মূল তথ্য এক নজরে:
​উদ্ধারকৃত আলামত: ২০,০০০ পিস ইয়াবা (আনুমানিক মূল্য ১ কোটি টাকা) এবং মিয়ানমারে পাচারের জন্য মজুত করা বিভিন্ন প্রকার ওষুধ।
​আটককৃতদের পরিচয়: ২ জন মিয়ানমার নাগরিক ও ১ জন বাংলাদেশি (বাড়ির মালিক)।
​অনুপ্রবেশের মাধ্যম: আটক মিয়ানমার নাগরিকরা নাফ নদী সাঁতরে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
​চক্রের কৌশল: ইয়াবা বাংলাদেশে এনে বিক্রির পাশাপাশি প্রতিদানে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধ মিয়ানমারে পাচার করাই ছিল এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য।
​কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে যে তারা সীমান্ত পেরিয়ে এসে ওই বাংলাদেশি বাড়িওয়ালার আশ্রয়ে অবস্থান করছিল।
​সীমান্তবর্তী টেকনাফ এলাকায় মাদক বিস্তার রোধ ও সীমান্ত চোরাচালান বন্ধে কোস্ট গার্ডের এমন জিরো টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।