ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে এনপিএসের উপজেলা কমিটি অনুমোদন, সভাপতি সেলিম ও সম্পাদক ফারুক

গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা (এনপিএস)-এর উপজেলা কমিটি সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত কমিটিতে দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার ত্রিশাল প্রতিনিধি মোহাম্মদ সেলিম মিয়াকে সভাপতি এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা ও মোহনা টিভির ত্রিশাল প্রতিনিধি ফারুক আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।স্থানীয় পর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার রক্ষা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সংগঠনটি কাজ করবে। নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এনপিএসের এ উদ্যোগের মাধ্যমে ত্রিশালে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ, মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জে এমপি, জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

ত্রিশালে এনপিএসের উপজেলা কমিটি অনুমোদন, সভাপতি সেলিম ও সম্পাদক ফারুক

আপডেট সময় : ১০:০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা (এনপিএস)-এর উপজেলা কমিটি সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত কমিটিতে দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার ত্রিশাল প্রতিনিধি মোহাম্মদ সেলিম মিয়াকে সভাপতি এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা ও মোহনা টিভির ত্রিশাল প্রতিনিধি ফারুক আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।স্থানীয় পর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার রক্ষা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সংগঠনটি কাজ করবে। নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এনপিএসের এ উদ্যোগের মাধ্যমে ত্রিশালে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ, মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।