ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎​পোরশা-মহাদেবপুর মহাসড়ক যেন মৃত্যুর ফাঁদ: ঝোপঝাড়ে আড়ালে চুরি-ডাকাতির আতঙ্ক ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি

‎
‎নওগাঁর পোরশা-মহাদেবপুর ৩৬ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের পোরশা অংশের ‘শিশা হাট থেকে নিতপুর’ পর্যন্ত সড়কটি যেন বর্তমানে এক চরম মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের দু’পাশে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ঘন গাছপালা ও ঝোপঝাড়ের কারণে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী ও যানবাহন চালকদের।
‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার দুই ধারের ঝোপঝাড় ও গাছের ডালপালা ছাঁটাই না করায় মহাসড়কটি মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে বিপরীত দিক থেকে আসা কোনো গাড়ি দেখতে না পেয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এছাড়া রাস্তার বাঁকগুলোতে দৃষ্টিসীমা (Sight Distance) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ।
‎​ঝোপঝাড়ের সুযোগ নিয়ে রাত নামলেই সড়কটিতে  চোর-ডাকাতির উপদ্রব হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ।  এর ফলে পুরো এলাকা জুড়ে এক চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে এই সড়ক দিয়ে চলাচলে চালক ও যাত্রীদের পেটে যেন একপ্রকার ভয়ের কাঁপন ধরে যায়।
‎​এ বিষয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ জানান, “আমরা ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের কাছে বারবার ধর্না দিয়েও কোনো সুফল পাইনি। জনপ্রতিনিধিরা দায় এড়িয়ে বলছেন, এটি নাকি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনের কাজ।”
‎​অথচ সড়ক বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। তাঁদের এই উদাসীনতা ও দেখেও না দেখার ভান সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। একটি সড়ক মেরামত বা দুই পাশের জঙ্গল পরিষ্কারের মতো মৌলিক কাজগুলোর দায় কে নেবে—এমন প্রশ্ন এখন পুরো পোরশা উপজেলাবাসীর।
‎​নতুন কিছু যুক্তিসঙ্গত দাবি ও সুপারিশ:
‎জরুরি ভিত্তিতে জঙ্গল পরিষ্কার: অবিলম্বে শিশা হাট থেকে নিতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই ধারের ঝোপঝাড় কেটে দৃষ্টিসীমা পরিষ্কার করা।
‎
‎সড়ক বাতি ও সাইনবোর্ড স্থাপন: গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দৃশ্যমান সতর্কতামূলক রোড সাইন এবং রাতের অন্ধকারের সুযোগ বন্ধে প্রয়োজনে স্ট্রিট লাইটের ব্যবস্থা করা।
‎​জনস্বার্থে ও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রক্ষার্থে অতি দ্রুত পোরশা-মহাদেবপুর মহাসড়কের এই বিপজ্জনক জঙ্গলসমূহ পরিষ্কার করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধার খোলাহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ইউনুস আলী দুখু

‎​পোরশা-মহাদেবপুর মহাসড়ক যেন মৃত্যুর ফাঁদ: ঝোপঝাড়ে আড়ালে চুরি-ডাকাতির আতঙ্ক ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

‎
‎নওগাঁর পোরশা-মহাদেবপুর ৩৬ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের পোরশা অংশের ‘শিশা হাট থেকে নিতপুর’ পর্যন্ত সড়কটি যেন বর্তমানে এক চরম মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের দু’পাশে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ঘন গাছপালা ও ঝোপঝাড়ের কারণে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী ও যানবাহন চালকদের।
‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার দুই ধারের ঝোপঝাড় ও গাছের ডালপালা ছাঁটাই না করায় মহাসড়কটি মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে বিপরীত দিক থেকে আসা কোনো গাড়ি দেখতে না পেয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এছাড়া রাস্তার বাঁকগুলোতে দৃষ্টিসীমা (Sight Distance) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ।
‎​ঝোপঝাড়ের সুযোগ নিয়ে রাত নামলেই সড়কটিতে  চোর-ডাকাতির উপদ্রব হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ।  এর ফলে পুরো এলাকা জুড়ে এক চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে এই সড়ক দিয়ে চলাচলে চালক ও যাত্রীদের পেটে যেন একপ্রকার ভয়ের কাঁপন ধরে যায়।
‎​এ বিষয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ জানান, “আমরা ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের কাছে বারবার ধর্না দিয়েও কোনো সুফল পাইনি। জনপ্রতিনিধিরা দায় এড়িয়ে বলছেন, এটি নাকি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনের কাজ।”
‎​অথচ সড়ক বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। তাঁদের এই উদাসীনতা ও দেখেও না দেখার ভান সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। একটি সড়ক মেরামত বা দুই পাশের জঙ্গল পরিষ্কারের মতো মৌলিক কাজগুলোর দায় কে নেবে—এমন প্রশ্ন এখন পুরো পোরশা উপজেলাবাসীর।
‎​নতুন কিছু যুক্তিসঙ্গত দাবি ও সুপারিশ:
‎জরুরি ভিত্তিতে জঙ্গল পরিষ্কার: অবিলম্বে শিশা হাট থেকে নিতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই ধারের ঝোপঝাড় কেটে দৃষ্টিসীমা পরিষ্কার করা।
‎
‎সড়ক বাতি ও সাইনবোর্ড স্থাপন: গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দৃশ্যমান সতর্কতামূলক রোড সাইন এবং রাতের অন্ধকারের সুযোগ বন্ধে প্রয়োজনে স্ট্রিট লাইটের ব্যবস্থা করা।
‎​জনস্বার্থে ও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রক্ষার্থে অতি দ্রুত পোরশা-মহাদেবপুর মহাসড়কের এই বিপজ্জনক জঙ্গলসমূহ পরিষ্কার করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।