ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আত্মপ্রকাশ করলেন দেলোয়ার হোসেন, জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ২ নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃতী সন্তান মো. দেলোয়ার হোসেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেলোয়ার হোসেনের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন কয়েকজন সংবাদকর্মী। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে তার সম্পর্কে ইতিবাচক নানা বক্তব্য পাওয়া যায়।
৮ নং ওয়ার্ডের পাহাড়ি অঞ্চল পুটিয়া গোদা গ্রামের একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেলোয়ার হোসেন একজন মানবিক ও সৎ ব্যক্তি। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অসমাপ্ত কাজগুলো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবায়ন করবেন বলে তারা আশাবাদী।
৪ নং ওয়ার্ডের নজুরপাড়া গ্রামের কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মানুষের উপকার করে আসছেন। তাদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে দান-সহায়তা করেছেন। এমনকি দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়েতেও অনুদান দিয়েছেন বলে তারা জানান।
লোয়াইপাড়া গ্রামের কয়েকজন নাগরিক বলেন, নিশ্চিন্তপুর এলাকায় একটি উচ্চবিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেলোয়ার হোসেন এলাকায় একটি উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের গতি বাড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
মোগলেরহাট কেন্দ্রের কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি বলেন, তাদের দৃষ্টিতে দেলোয়ার হোসেন একজন যোগ্য, সৎ ও ভালো মানুষ। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে পরিষদের বিচার ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারবেন বলে তারা মনে করেন।
এদিকে কালা গাজীর বাড়ি এলাকার কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি দেলোয়ার হোসেনের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানান। তবে প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তাদের নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন তারা।
প্রবাসে কর্মরত কয়েকজনের সঙ্গেও মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হলে তারা দেলোয়ার হোসেনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তাদের ভাষ্য, প্রবাসে থাকা অবস্থায় কারও ভিসা বা পাসপোর্টের সমস্যা হলে তিনি সহযোগিতা করেছেন, কাজ না থাকলে কাজের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছেন এবং রোড পাসসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি অনেক দরিদ্র প্রবাসীকে দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিটের ব্যবস্থা করে বাড়িতে পাঠিয়েছেন বলেও তারা দাবি করেন।
তাদের মতে, দেলোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করার সুযোগ পাবেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার সহযোগিতার পরিধি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে গ্রামের গঞ্জে ও অলিগলিতে মানুষের যেসব ছোটখাটো সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। প্রয়োজনে অতীতের মতো নিজের অর্থায়নেও ছোটখাটো কাজ করে দেওয়ার চেষ্টা করব। বড় ধরনের উন্নয়নকাজ সরকারি অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মধ্যরাতে দুইটা-তিনটার সময়ও যদি কোনো বিপদগ্রস্ত মানুষ আমাকে ফোন করেন, তাহলে আমি যথাসম্ভব দ্রুত তার বাড়িতে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করব এবং বিপদ থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য পাশে থাকব—ইনশাআল্লাহ। এটা আমার ওয়াদা।”
দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমি জনগণের সেবা করতে চাই। আমার কাছে অর্থের কোনো লোভ নেই। আমি একজন জনপ্রতিনিধির চেয়ে মানুষের সেবক হিসেবে পরিচিত হতে চাই। সবাই যেন বলে—দেলোয়ার হোসেন একজন মানবসেবক। আমি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে নেই কার্যকর শিল্পকলা একাডেমি, ভাটার টানে শিল্প সংস্কৃতি চর্চা

২নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আত্মপ্রকাশ করলেন দেলোয়ার হোসেন, জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ২ নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃতী সন্তান মো. দেলোয়ার হোসেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেলোয়ার হোসেনের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন কয়েকজন সংবাদকর্মী। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে তার সম্পর্কে ইতিবাচক নানা বক্তব্য পাওয়া যায়।
৮ নং ওয়ার্ডের পাহাড়ি অঞ্চল পুটিয়া গোদা গ্রামের একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেলোয়ার হোসেন একজন মানবিক ও সৎ ব্যক্তি। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অসমাপ্ত কাজগুলো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবায়ন করবেন বলে তারা আশাবাদী।
৪ নং ওয়ার্ডের নজুরপাড়া গ্রামের কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মানুষের উপকার করে আসছেন। তাদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে দান-সহায়তা করেছেন। এমনকি দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়েতেও অনুদান দিয়েছেন বলে তারা জানান।
লোয়াইপাড়া গ্রামের কয়েকজন নাগরিক বলেন, নিশ্চিন্তপুর এলাকায় একটি উচ্চবিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেলোয়ার হোসেন এলাকায় একটি উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের গতি বাড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
মোগলেরহাট কেন্দ্রের কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি বলেন, তাদের দৃষ্টিতে দেলোয়ার হোসেন একজন যোগ্য, সৎ ও ভালো মানুষ। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে পরিষদের বিচার ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারবেন বলে তারা মনে করেন।
এদিকে কালা গাজীর বাড়ি এলাকার কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি দেলোয়ার হোসেনের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানান। তবে প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তাদের নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন তারা।
প্রবাসে কর্মরত কয়েকজনের সঙ্গেও মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হলে তারা দেলোয়ার হোসেনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তাদের ভাষ্য, প্রবাসে থাকা অবস্থায় কারও ভিসা বা পাসপোর্টের সমস্যা হলে তিনি সহযোগিতা করেছেন, কাজ না থাকলে কাজের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছেন এবং রোড পাসসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি অনেক দরিদ্র প্রবাসীকে দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিটের ব্যবস্থা করে বাড়িতে পাঠিয়েছেন বলেও তারা দাবি করেন।
তাদের মতে, দেলোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করার সুযোগ পাবেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার সহযোগিতার পরিধি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে গ্রামের গঞ্জে ও অলিগলিতে মানুষের যেসব ছোটখাটো সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। প্রয়োজনে অতীতের মতো নিজের অর্থায়নেও ছোটখাটো কাজ করে দেওয়ার চেষ্টা করব। বড় ধরনের উন্নয়নকাজ সরকারি অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মধ্যরাতে দুইটা-তিনটার সময়ও যদি কোনো বিপদগ্রস্ত মানুষ আমাকে ফোন করেন, তাহলে আমি যথাসম্ভব দ্রুত তার বাড়িতে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করব এবং বিপদ থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য পাশে থাকব—ইনশাআল্লাহ। এটা আমার ওয়াদা।”
দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমি জনগণের সেবা করতে চাই। আমার কাছে অর্থের কোনো লোভ নেই। আমি একজন জনপ্রতিনিধির চেয়ে মানুষের সেবক হিসেবে পরিচিত হতে চাই। সবাই যেন বলে—দেলোয়ার হোসেন একজন মানবসেবক। আমি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”