চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে পোষা গোখরা সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। তাঁকে বাঁচাতে দুই দফায় ২০ ভায়াল অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। এরপরও শঙ্কামুক্ত নন তিনি। প্রয়োজন হলে তৃতীয় দফায় আরও ১০ ভায়াল অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার পর ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা ও উপসর্গ বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসকেরা দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করেন। প্রথমে ১০ ভায়াল এবং পরে আরও ১০ ভায়াল অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। এরপরও তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।
ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণী পালন করা তাঁর স্বামীর শখ। কয়েক মাস আগে একটি বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না রাখার জন্য স্বামীকে বারবার নিষেধ করেছিলেন রিনা। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল।
বৃহস্পতিবার প্রতিদিনের মতো সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন তিনি। এ সময় সাপটি তাঁর হাতে কামড় দেয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহাক জানান, রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন। অবস্থার আরও অবনতি হলে তৃতীয় দফায় অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ইকবালের জন্য আগামী ২৪ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় তাঁর
আবু নাছের মতলব উত্তর,চাঁদপুর প্রতিনিধি 


















