কুষ্টিয়ার মিরপুরে পেয়ারা ব্যবসায়ীর গাড়ি গতিরোধ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯ মাইল কাচারীপাড়া সংলগ্ন কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের সাহেব পাগলের বাড়ির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আটক দুজন হলেন—ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম লালুর মোড় এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে মো. সুমন হোসেন (২৮) এবং একই এলাকার মহিউদ্দিনের ছেলে মো. মাহাবুল আলম (৪০)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি চাপাতি ও একটি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, ভোরে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়ক দিয়ে একটি পেয়ারা ব্যবসায়ীর গাড়ি যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি সেটির গতিরোধ করেন। এ সময় তারা অস্ত্র প্রদর্শন করে ব্যবসায়ীর কাছে টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক ও পথচারীরা এগিয়ে আসেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ওই দলের কয়েকজন সদস্য পালিয়ে গেলেও সুমন ও মাহাবুলকে স্থানীয়রা ধরে ফেলেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় ওই ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দলের সদস্য হিসেবে মহাসড়কে চলাচলকারী পেয়ারা ব্যবসায়ীর গাড়ি থামিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “আজ ভোরে জনতার হাতে ছিনতাই চক্রের দুজন সদস্য আটক হন। পরে স্থানীয়রা তাদের মিরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় মিরপুর থানায় একটি ছিনতাই মামলা দায়ের হয়েছে।
এস.এম.আবু ওবাইদা-আল-মাহাদী, ব্যুরো চীফ, দক্ষিণাঞ্চল 


















