নওগাঁর ধামইরহাটে সর্বদলীয় শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চির বিদায় নিয়ে চলে গেলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ ওয়াদুদ। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী ও বর্ষিয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এম এ ওয়াদুদ ছিলেন ধামইরহাট উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয়, প্রিয় ও সদালাপী ব্যক্তি। ধামইরহাট উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন গুনী এই রাজনীবিদ। জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও তিনি ছিলেন সর্বদলের নেতাকর্মীদের প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির উপজেলা সভাপতি হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন।
মরহুমের ছেলে ও বর্তমান উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ওয়াসফি আরাফাত অভি জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন যাবত কিডনী সহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু দিন চিকিৎসা থাকাকালে গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তার মৃত্যুর খবরে পুরো উপজেলায় ও রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।
১০ সেপ্টেবর বেলা ১১ টায় রাঙ্গামাটি বাজারস্থ ঈদগাহ ময়দানে তার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্হানে দাফন করা হয়।মরহুমের জানজায় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-২ আসনের সাবেক এম.পি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. সামসুজ্জোহা খান(জোহা)।এছাড়াও উপস্হিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল আলম গোল্ডেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আযম রানা, সাবেক সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ, ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে.এম লায়েক আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব হানজালা, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম কবির মিল্টন, তারিকুল ইসলাম রাঙ্গা, সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপল, থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আখরাজুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম লিটন, সাবেক আহবায়ক রুহুল আমিন।
অপরদিকে পত্নীতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোকসেদুল হক সিরি, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মামুন, সাংগঠনিক এ.জেড মিজান, ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি সহিদুর রহমান, সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান মীর, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রুহেল হোসেন সুমন, যুবদল নেতা রুবেল হোসেন রতন, মুনছুর আলী, ছাত্রদল নেতা উমর ফারুক রুমন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আতাউর রহমান প্রমুখসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক জানাযায় অংশ নেন। জানাযায় দল-মত নির্বিশেষে সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ ছুটে আসে তাকে এক নজর দেখতে, রাস্তা দু’পাশে নামে মানুষের ঢল। জানাজা নামাজ যেন তৈরি হয় হাজারো মানুষের সমুদ্রে। চারিদিকে শুধু মানুষ আর মানুষ। সেটা শুধু যে মোসলমান তা না অন্য ধর্মের মানুষ ও এসেছিলেন তাকে শেষ বারের মতো দেখতে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায় তিনি মৃত্যুকালে ১ স্ত্রী ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। তাছাড়া তিনি তার ৬১ বছরে অসংখ্য রাজনৈতিক সহচর রেখে গেছেন।
মোঃ আবিদ হাসান ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি 


















