পত্নীতলা উপজেলায় নজিপুরে ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চরম আকার ধারণ করায় কার-মাইক্রো চালকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এর ফলে নজিপুর থেকে বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় নজিপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একত্রিত হয়ে কর্মবিরতি পালন করেন।এ সময় তারা তাদের যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে ভাড়া সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নজিপুর কার-মাইক্রো চালক সমিতির সভাপতি পবন রায় এবং সাধারণ সম্পাদক সমর কুমার সরকার। সমিতির অন্যান্য সদস্য ও চালকরা কর্মবিরতি আন্দোলনে যোগ দেন।
এ আন্দোলনের কার- মাইক্রো সালোক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বক্তব্যে তারা বলেন, ভাড়া সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যা ন্যায্য সমাধান না হওয়ায় চালকরা কর্ম বিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। চালকদের স্বার্থরক্ষা এবং যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। চালকের দাবি উপেক্ষা করা হলে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে আমরা আগ্রহী। তবে চালকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধ চললেও তা সমাধানে কার্যকর কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং কিছু ক্ষেত্রে একতরফা ভাবে ভাড়ার হার নির্ণয় করা হচ্ছে, যা চালকদের জন্য আর্থিকভাবে ক্ষতির কারণ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চালক নেতারা জানান, ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিত বিদ্যমান সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্ম বিরতি চালিয়ে যাবেন। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা থাকলেও দাবি পুরো না হলে ধর্মঘট আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দেন করা।
এদিকে হঠাৎ করে কার মায়ের চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রা মহা বিপাকে পড়েছেন। জরুরী কাজে বের হওয়া অনেক মানুষকে বিকল্প যানবাহনের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে,ফলে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে অনেককেই। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষরাও দ্রুত সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
চালকের এই কর্মবিরতির কারণে নজিপুর সহ আশেপাশে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে
হেলাল,পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি 


















