ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হস্তান্তর হলেই খুলবে শিশুপার্ক কুড়িগ্রামে শিশুদের বিনোদনের নতুন দুয়ার, দ্রুত উদ্বোধনের উদ্যোগ।

বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা কুড়িগ্রাম শহরের শিশুদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে নির্মিত আধুনিক শিশুপার্কটির নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের আবেদন করলেই পরিদর্শন শেষে দ্রুত পার্কটি উদ্বোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদ।
শহরের ডায়াবেটিস হাসপাতালসংলগ্ন জেলা পরিষদের নিজস্ব ৭৩ শতাংশ জমিতে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে পার্কটি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে টেন্ডার আহ্বানের পর শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ এখন প্রায় শেষ। আগামী ৩০ অক্টোবর ২০২৬ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
শিশুদের বিনোদন ও মানসিক বিকাশের কথা বিবেচনায় পার্কটিতে রাখা হয়েছে মিনি ইলেকট্রিক ট্রেন, মেরি-গো-রাউন্ড, জেড কোস্টার, ওয়ান্ডার হুইল, বাউন্সিং রাইড, সুইং চেয়ার, অ্যাডভান্সার কার, শিশুদের খেলার মাঠসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় ব্যবস্থা। রয়েছে সোলার স্ট্রিট লাইট, অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও শিশুদের উপযোগী বিভিন্ন নান্দনিক আয়োজন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, “পার্কটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আশা করছি ৩০ অক্টোবরের আগেই হস্তান্তর করতে পারবো।”
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, হস্তান্তরের আবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। আবেদন পাওয়ার পর এলজিইডিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন টিমের প্রতিবেদন নেওয়া হবে। সব কাজ সম্পন্ন ও প্রতিবেদন সন্তোষজনক হলে দ্রুত উদ্বোধনের ব্যবস্থা করা হবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, “কুড়িগ্রামে অন্য কোনো পার্ক না থাকায় শিশুপার্কটি দ্রুত খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গেও কথা বলছি। হস্তান্তর ও পরিদর্শন প্রক্রিয়া শেষ করে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শিগগিরই পার্কটি জেলাবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে।”
জেলাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে আর যেন উদ্বোধন বা হস্তান্তরের জটিলতায় পার্কটি পড়ে না থাকে। দ্রুত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে শিশুদের জন্য পার্কটি উন্মুক্ত করা হলে কুড়িগ্রাম শহরে তৈরি হবে দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত একটি বিনোদনকেন্দ্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

আছে, চাষি নেই ক্রেতাশূন্য  ফড়িংয়ের দিঘির সারের দোকান

হস্তান্তর হলেই খুলবে শিশুপার্ক কুড়িগ্রামে শিশুদের বিনোদনের নতুন দুয়ার, দ্রুত উদ্বোধনের উদ্যোগ।

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা কুড়িগ্রাম শহরের শিশুদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে নির্মিত আধুনিক শিশুপার্কটির নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের আবেদন করলেই পরিদর্শন শেষে দ্রুত পার্কটি উদ্বোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদ।
শহরের ডায়াবেটিস হাসপাতালসংলগ্ন জেলা পরিষদের নিজস্ব ৭৩ শতাংশ জমিতে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে পার্কটি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে টেন্ডার আহ্বানের পর শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ এখন প্রায় শেষ। আগামী ৩০ অক্টোবর ২০২৬ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
শিশুদের বিনোদন ও মানসিক বিকাশের কথা বিবেচনায় পার্কটিতে রাখা হয়েছে মিনি ইলেকট্রিক ট্রেন, মেরি-গো-রাউন্ড, জেড কোস্টার, ওয়ান্ডার হুইল, বাউন্সিং রাইড, সুইং চেয়ার, অ্যাডভান্সার কার, শিশুদের খেলার মাঠসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় ব্যবস্থা। রয়েছে সোলার স্ট্রিট লাইট, অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও শিশুদের উপযোগী বিভিন্ন নান্দনিক আয়োজন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, “পার্কটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আশা করছি ৩০ অক্টোবরের আগেই হস্তান্তর করতে পারবো।”
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, হস্তান্তরের আবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। আবেদন পাওয়ার পর এলজিইডিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন টিমের প্রতিবেদন নেওয়া হবে। সব কাজ সম্পন্ন ও প্রতিবেদন সন্তোষজনক হলে দ্রুত উদ্বোধনের ব্যবস্থা করা হবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, “কুড়িগ্রামে অন্য কোনো পার্ক না থাকায় শিশুপার্কটি দ্রুত খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গেও কথা বলছি। হস্তান্তর ও পরিদর্শন প্রক্রিয়া শেষ করে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শিগগিরই পার্কটি জেলাবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে।”
জেলাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে আর যেন উদ্বোধন বা হস্তান্তরের জটিলতায় পার্কটি পড়ে না থাকে। দ্রুত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে শিশুদের জন্য পার্কটি উন্মুক্ত করা হলে কুড়িগ্রাম শহরে তৈরি হবে দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত একটি বিনোদনকেন্দ্র।